তাঁর আঁকা ছবির প্রতিটা ক্যারেক্টার, প্রতিটা সাবজেক্ট, প্রতিটা তুলির টানে সেই জীবন মর্মরিত, যেখানে ‘আমরা মানুষ’ কথা বলছি নীরবতায়। যেখানে, প্রাচ্যজীবনের প্রতিটা মর্মর, একান্ত সাধারণ মানুষের মধ্যে সংযোগ ও সংযোগহীনতার গল্পরা যেমন রয়েছে,—এটাকে ছাপিয়ে যাওয়া রহসময়তাও হৃদমাঝারে অনুভব করে দর্শক।
-
-
এই দেশে এরকম ভাষায় কবিতা বিরচন কবিমহলে এখনো স্বীকৃতিযোগ্য নয় অতটা! তাঁর কবিতা স্বয়ং নানাসময় ফেসবুক ও অনলাইন মুখপত্রে চোখে পড়েছে নিয়মিত, নিজের মধ্যে তবু বোঝার আর্তি প্রবল হয়নি,—কবিতায় কেবল আবেগের পারদ ফেনিয়ে তোলার চেয়ে রথো রাফি বরং পরদেশি মেঘেদের মতো সূক্ষ্ম কারুকাজে কবিতার গন্তব্য খুঁজে ফিরছেন।
-
আখতারুজ্জামান ইলিয়াস তাঁর এক প্রবন্ধে লিখেছিলেন, তিনি চাকমা ভাষায় উপন্যাস পড়তে চান। এখন তাঁর সেই কথার ২০/২২ বছর পরে আমি জিগাই কোনো চাকমা ঔপন্যাসিককে,—আপনি কি নিজের ভাষায় লিখতে পারছেন?
-
পাখি গায় না কাউকে শোনানোর জন্য; গায়, কারণ গানই তার স্বভাব। মানুষের কানে কখনও সেই গান আনন্দের, কখনও বেদনার, কখনও আবার এক অজ্ঞাত শূন্যতার প্রতিধ্বনি হয়ে ধরা দেয়। এই অনিশ্চিত অনুভবের গভীরতাই মানুষের অবচেতনকে নীরবে স্পর্শ করে, তাকে নিজের অন্তর্জগতের মুখোমুখি দাঁড় করায়।
-
বিকল করার মতো কিছু একটা ভীষণ প্রয়োজন। হায় ঝিঁঝিঁ, হায় বর্ষার ভেক, তোমাদের ক্ষমতা নেই থামিয়ে দিতে পারো কোলাহল চিরতরে...। টানা ধাতব গুঞ্জন ছাড়া আর কিছু থাকবে না ধরায়! আমরা সেখান মৃত শব। ঝিঁঝিঁ ডেকে যাচ্ছে বিরতিহীন ছন্দে। জীবনানন্দের অজস্র হরিয়ালের বীভৎস ডানা ঝাপটানোর মতো ধাতব গুঞ্জন অযুত-নিযুত বছর ধরে...