নরোম ফ্যাকাশে গালের ওপর রোদের ছটা পিছলে যাচ্ছে, আর সবুজ রংয়ের চোখের তারায় কী যেন খেলা করছিল! আমি স্থানু হয়ে দাঁড়িয়ে ছিলাম কিছুক্ষণ। মাথা কাজ করছে না। ধমনী হিম হয়ে আসছিল তাকে দেখে। মেয়েটি এই গ্রহের জীব নয়! সুদূর অচেনা থেকে ঈশ্বর তাকে পাঠিয়েছেন মানুষের লীলা দেখতে!
-
-
আয়নায় হলুদ বিভা/ চিনে নিই নিজেরই ভাঙা-মুখ/ এখানে কেউ নেই/ শুধু আয়ুর খসখসানি
-
মোদ্দা কথা, মনুসংহিতা বেদের ‘প্রতিধ্বনি’ নয়, বরং প্রায়োগিক ধর্মশাস্ত্র। ফুকোর ‘ক্ষমতা রাজনীতি’র হাতিয়ার। সমাজকে সংগঠিত ও বশে রাখতে প্রণীত। বেদ-উপনষিদের সুদূরপ্রসারী জগৎবীক্ষণ ও আধ্যাত্মিক স্ফুরণ শুধু নয়, এর অতিকায় দার্শনিকতা এখানে এসে সংকুচিত হয়েছে।
-
স্বচ্ছ কবিতা রচনা করে পাঠক হৃদয়ে স্বচ্ছতার নির্মল আনন্দ সৃষ্টিতে নিয়ামক ভূমিকা কবিদেরই গ্রহণ করতে হবে। তাত্ত্বিকদের কাচ চিবোনো আর নয়, স্বভাব-কবির ধারণাও অনেক আগে বাতিল হয়েছে।
-
ঘড়ির কাচে জমে ওঠে কুয়াশা,/ ভিতর থেকে কেউ মুছে দেয় না।/ আমরা সময় দেখতে চাই— / আঙুল ভিজে থাকে, দৃশ্য ঝাপসা।