ললিতা নামে কত গান আমরা মা-খুড়ির মুখে শুনি। কিন্তু কে সেই ললিতা কে জানে! এমনও হইতে পারে, গাঁও-গেরাম যে-মহিলারা গোপনে গান লেখে তারাই ললিতা! … অবাক হওয়ার কিছু নাই। গান লিখলে সাধনা লাগে, লেখাপড়া লাগে। তাই আগে গাঁয়ের সাধারণ মহিলারা গান লেখলেও লজ্জায় প্রকাশ করছেন না। শুনছি তারা নানাজনের নামে গান চালাইয়া দিছে। কি আর করবে বলো? গান তো গাইতে…
-
-
গানের মতো প্রচণ্ড সৃষ্টিশীল যজ্ঞে মানুষকে টেক্কা দিতে যন্ত্রের অ্যালগরিদম সক্ষমতা অবিশ্বাস্য মাত্রায় পৌঁছাতে হবে। তখনো দেখা যাবে,—মানুষ নতুন আঙ্গিক খুঁজে নিচ্ছে। এমনকি এআই অ্যাপসকে সহায়ক রূপে কাজে লাগিয়ে নতুন মাত্রা নিয়ে আসবে গানে। মানবীয় অনুভূতির বৈচিত্র্য ও নতুন পরিস্থিতি মোকাবিলায় সেরিব্রাল কর্টেক্সের সক্ষমতা এক্ষেত্রে মানুষের আয়ুধ হতে থাকবে।
-
ধামাইল গানে ভণিতায় গীতিকারের নিয়ম ভাঙার প্রচলন শুরু থেকেই। তবে সেটা কারো গান দখল করে বা গীতিকারকে আড়াল করে নিজের জন্য নয়। ধামাইল গায়ক কখনো স্বেচ্ছায় নিজের নাম ভণিতায় জুড়ে দেন না। বরং ভালোবেসে নিজের লেখা গান অন্য ভণিতায় উৎসর্গ করেন। গীতিকার নিজের পরিচয় গোপন করে সকলের জন্য গান উৎসর্গ করেন, এমন নজির ধামাইল গানে ভাটি গাঁয়ের বধূসমাজে অনেক। তাই…
-
জল সেতো অনন্তেই গেছে পাশে কেউ নেই চিরদিন দেখা নেই চিরদিন দূরে দূরে চিরদিন সন্ন্যাস
-
কটি গানকে ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে লম্বা সময় ধরে গাইতে থাকেন উম্মে কুলসুম। একটাই গান এভাবে ফিরে-ফিরে গেয়ে চলার সময় গানের মেজাজ খুব-যে পালটায় তা নয়, কিন্তু শ্রোতা তথাপি নিবিষ্ট হয়ে শুনে চলে। নির্দিষ্ট কোনো স্তবক অথবা চরণ ঘুরেফিরের বারবার গাইবার সময় শ্রোতার এরকম মনে হয়,—ধ্বনিব্যঞ্জনা এখানে অন্তহীন সময় ধরে বইছে, এবং এই প্রবাহন বন্ধ না হলে ক্ষতি নেই। গলার খাঁজভাঁজ থেকে বেরিয়ে…