প্রভুর দিকে চোখ মেলে চাইতে চায় সে প্রাণপণে। জীবনে শেষবারের মত শুনতে চায় ওর কাল্লু কিংবা বাঘা ডাকটা। ঝাঁপসা চোখে দেখতে পায় প্রভুপুত্র হাতের লাঠি ফেলে প্রচণ্ড ঘৃণাভরে উচ্চারণ করে ‘বাঘা’ নয়, ‘কাল্লু’ নয়, ‘শালার কুত্তা’! শালার শব্দটার সঙ্গে ওর পরিচয় নেই। মৃত্যু-মুহূর্তে কুত্তা শব্দটাকে বড়ো অশ্লীল মনে হয় ওর কাছে। মনে হয় পৃথিবীর নৃশংসতম ও অতি-ঘৃণিত একটা শব্দ ওটা।…
-
-
ধামাইল গীতাশ্রয়ী গান। আগের গানে ভণিতা নাই। ধামাইল গানের কেউ একক জনক-টনক নাই। গীতনি মেয়েরাই ধামাইল গানের জনক-জননী। রাধারমণের গান মেয়েরা গেয়ে ধামাইলে রূপ দিছে বা জনপ্রিয় করছে। রাধারমণ ধামাইল হিসেবে গান লিখেননি। তিনি রাধা-কৃষ্ণবিচ্ছেদে গান লিখছেন। অনেক বাউল গানও এখন ধামাইল ঢংয়ে গাওয়া হয়।
-
ধুলোয়, অসম্মানের নিচে চাপা পড়ে আছে/ আমার মর্যাদা, সাদা চোখে যা দেখে পৃথিবীর মানুষেরা,/ কিন্তু কেন আমি প্রকাশ করব লজ্জা আমার মুখমণ্ডলে,/ কী সম্মান দিয়েছে আমাকে এ পৃথিবী!
-
একটি নয় দুটি বাদুড় উড়ে যায় দূরে তোমার স্বোপার্জিত জ্যোৎস্নায়/ আমাদের ঘাসজল খাড়ুবিল প্রান্তর;/ সুরমার পারে শিশিরের ঘুম চায়/ আজ তাই, আমার কবিতায় তোমার প্রাদেশিক ঘাস।
-
মহাবিশ্বের পরিণতি ও ভূত-ভবিষৎ নিয়ে গুরুতর কিংবা বোকাসোকা প্রশ্নের জবাব বালকটি এভাবে জিভ বের করে দিতে জানে। আমার মনে পড়ছিল গণিতে আবারো ডাহা ফেল বালক আইনস্টাইনের কান পাকড়ে জানতে চাইছি.—মহাবিশ্বের সূত্র সে মিলাতে পেরেছে কি-না! তার কাছে একে কী মনে হয় দেখে। মহাবিশ্ব আসলেই দেখতে কেমন! বালক তার দুষ্টুমিভরা চোখ বড়ো করে তুলেছিল, আর জিভ বের করে বুঝিয়ে দিয়েছিল,—মহাবিশ্ব আসলেই…