
প্রেমের সন্ত্রাসে
নিয়ো না ‘বিদায়’ …
মেঘনীল আকাশের নিচে
আমি, পুড়ছি প্রেমের সন্ত্রাসে
এখনই বলো না ‘যাই’,
নিয়ো না, নিয়ো না ‘বিদায়’
আকাশে মেঘের ফানুস
চৌকাঠে করাঘাত বসন্ত দিনের
হলুদ ঝরাপাতা বলে ‘যাই’,
ইথারে বিসমিল্লাহ সকরুণ
নিয়ো না, নিয়ো না ‘বিদায়’
সান্ধ্য আজানে বাজে শঙ্খ
কু-ডাক গাইছে মরার কোকিল
হৃদয়ে জ্বর লেলিহান … একা,
আমি পুড়ছি প্রেমের সন্ত্রাসে
নিয়ো না, নিয়ো না ‘বিদায়’
মেঘময়ূর মেলেছে পেখম
শর্বরী আকাশে মেঘের ডম্বরু
বৃষ্টি নামবে দ্রিমিক দ্রিমিক
দেহে তাই পিপাসা অথৈ
যামিনী হবে অবসান
হয়নি সময় … বলার,
‘ভালো থেকো, যাই’…
মেঘের চরকা কাটে চন্দ্রমুখী
মেঘচিল উড়ে ধূসর ডানায়
ধিঁকি ধিঁকি জ্বলছি আগুনে
উন্মাদ লাভাস্রোতে পুড়ছে হৃদয়
ধিঁকি ধিঁকি জ্বলে উজ্জ্বল মজনু
একা … পুড়ছে হৃদয়!
মিনতি করি হে শশীমুখী
মেঘের মিম্বরে নিয়ো না উড়ান
বৃষ্টি নামছে দেখো দ্রিমিক দ্রিমিক
হয়নি সময় … বলার,
‘ভালো থেকো, যাই’…
নিয়ো না, নিয়ো না ‘বিদায়’
. . .
. . .
সংযুক্তি

এই গানালেখ্যটি পুরাতনি বাংলা গানের প্রাতঃস্মরণীয় স্রষ্টাদের স্মরণে রেখে নিবেদিত। সে-এক যুগ এসেছিল বাংলায়! টপ্পা ও কীর্তনের সুরতরঙ্গে জন্ম নিয়েছিল নতুন তরঙ্গ গানের। সে বড়ো সুখের সময়! ওইসব পুরাতনি গানভাণ্ডারিরা আমাদের ‘শশীমুখী’… উনারাই ‘চন্দ্রমুখী’ বাংলা গানের। দুঃসময়ের আলোকবর্তিকা একালেও। তাঁদের করকমলে তাই শত ভুলে ভরা এই অক্ষম প্রয়াসটি নিবেদন করছি।
—আহমদ মিনহাজ
. . .

. . .


