একটু পরেই অসিতরা শুনে দুটি নয়, এখন কেবল একটি বাঁশির সুর ভেসে আসছে। অকল্পনীয় সে সুরসুধা পলেপলে জীবনকে তুচ্ছ করে। পতঙ্গের মতো পুড়ে মরতে সাধ জাগায়। সেই সুরের গভীর মন্ত্রণায় চারপাশের সব জড়-জীব যেন নৃত্য শুরু করেছে।
-
-
মাসকালচার, পপকালচার নামে যে-অতিকায় বৃক্ষের নিচে মানুষ সামাজিক থেকেছে এতদিন,—এখন তা উবে যাওয়ার পরিণাম কেমন হবে? মানুষ কি গোত্র বুঝে পরস্পরকে সংযোগ করবে? নাকি বিচ্ছিন্ন দ্বীপের মতো নিজেকে নিয়ে পড়ে থাকবে একা? কেমন হতে যাচ্ছে মানুষের ভবিষ্যৎ সামাজিক জীবন? ফ্রানজ কাফকা যে-রূপান্তর ও বিবিক্তিকে তুলে ধরেছিলেন, আসন্ন রূপান্তর কি সেরকম কিছু? ঠিক কেমন হতে যাচ্ছে তার চেহারা?
-
...অন্য নারীর জাদুটানে রূপলোভী পুরুষের সমর্পণ গানের মূল বিষয় নয়। বিষয় বরং অন্যত্র নিহিত, আর তা হলো,—নিজেকে ভেঙে পড়ার হাত থেকে বাঁচানোর প্রয়োজনে ডলি লড়ছেন মূলত। লাল চুলের রূপসী যেন তার একমাত্র শক্তি মানুষকে বিশ্বাস ও ভালোবাসা ছিনিয়ে নিতে না পারে, সেজন্য যতদূর যেতে হয় তিনি যাবেন! একটা টাফ ব্যাটল ও তাতে জয়ী হওয়ার প্রত্যয় এভাবে গানটাকে উচ্ছল রাখে আগাগোড়া।
-
সুখকর লেগেছে দৃশ্যটি দেখে,—কিছু অস্ট্রেলিয়ান বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকা গায়ে জড়িয়ে ‘আমার সোনার বাংলা’ গানের সঙ্গে তাল দিচ্ছে। কবে এমন দিন দেখেছে বাংলাদেশ! একমাত্র খেলা হয়তো পারে সীমানাকে অচল করে ভালোবেসে কাউকে হৃদমাঝারে আপন করে নিতে।
-
আপনি ইরানদেশের মেধাবী গোলাপ। সৌরভ ছড়াবেন সে জানা কথা। আমার ঋণ অন্যখানে। আপনার চোখ দিয়ে দেখা ‘পার্সেপোলিস’ আমাকে ইরান ও পারস্যের মধ্যে সবসময় জাগ্রত পার্থ্যকটি ধরতে শিখিয়েছিল। চিরঋণী করে গেছেন সেখানেই!...