সেতু ভাই, আপনার আলোচনায় মিশেল ফুকোর অবতারণা যেমন অনিবার্য মানতে হবে, অন্যদিকে এর ফলে ঝুঁকি ও ভুল বোঝার সম্ভাবনা তা তৈরি করে। নাগরী লিপিকে ভিত্তি ধরে সিলেটি ভাষাকে বাংলা থেকে স্বতন্ত্র ভাষারূপ দাবি করাটা তার মধ্যে অন্যতম। আপনি যদিও এর যৌক্তিকতা ও অযৌক্তিকতা দুটোই আলোচনায় ভালোই টেনেছেন।
-
-
তবু মানুষ সাঁতরায়/ শরীরে মেখে মৃত গ্রহ-নক্ষত্রের ছাই।/ মৃদু আভায় জ্বলে ওঠে পিঠ,/ ইস্পাত কঠিন হাতের ওপরে হাত/ পাথুরে দেয়ালে ধাক্কা খায় আদিম কান্নার রিফ...
-
সহিংসতাকে তিনি কেবল রাজনৈতিক কৌশল হিসেবে নয়, জাতিগত ঐক্য গঠনের মাধ্যম হিসেবেও দেখেছিলেন। তাঁর ভাষায়, হিন্দুরা মুসলমানদের সঙ্গে দীর্ঘ সংঘাতের মধ্য দিয়েই নিজেদের ‘হিন্দু’ হিসেবে চিনতে শিখেছে।
-
কোনো পুষ্প এখানে কী করে ফুটবে! কিছু ফুটবে না, বরং যেটুকুন একটু-একটু করে পরম মমতায় ফুটেছিল এতদিনে,—তারা সবে ঝরে যাবে! কে জানে আমরা হয়তো অচিরে কোনো পল্লী জনপদে শেষ একতারা, দোতারা বা সারিন্দা বাদককে দেখব,—বেচারা ধুঁকছে, শরিয়তি ইসলামের বরখেলাফ বাদ্যযন্ত্র বাজানোর অপরাধে!
-
পরে জানতে পারে, অদৃশ্য কোনো প্রভুপিতার দৃষ্টির ভেতর রয়েছে ওরা। পালাতে চাইলেও পথ নেই। ওই হাতের ছড়ানো থাবায় একদিন ধরা দিতেই হবে ওকে। এ-পেশায় হাতেখড়ি নেয়ার দিনগুলোয় ওর এক সুহৃদ বলেছিল, এখানে শুধু আসা যায়, ফেরা যায় না আব্দুল কাদের! এখন বুঝতে পারে সে, কথাটা কত বেশি সত্য।