‘সনাতন’ ধারণাটি মূলত বহুত্ববাদী, নমনীয় ও দার্শনিক। এখানে নানা পথ, নানা দেবতা, এমনকি নাস্তিকতাও জায়গা পায়। উপনিষদের অদ্বৈতবাদ, বৌদ্ধের অনাত্মবাদ, তন্ত্রের শক্তিচিন্তা, ভক্তির ব্যক্তিগত প্রেম—সব একসঙ্গে সহাবস্থান করতে পারে অনায়াসে। কিন্তু আধুনিক হিন্দুত্ববাদ প্রায়শ এই বহুত্বকে কেন্দ্রীভূত রাজনৈতিক পরিচয়ে রূপ দিতে চায়।
-
-
ষড়যন্ত্র তত্ত্বটাকে তিনি নিয়েছেন এটা প্রতিষ্ঠার জন্য,—৪৩২ হচ্ছে সেক্রেড বা পবিত্র। এখন এ-নিয়ে একশো মুনির একশো মত আছে ভাই। সুরের টেস্ট শ্রোতাভেদে ভিন্ন হবে। যুগভেদে তা এক থাকবে না কখনো। যে-কারণে ৪৪০ হার্টজ দিয়ে সুরকে প্রাকৃতিক সুরসংগতি বা হারমোনি থেকে ভিন্নদিকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে;—মতটি আমার কাছে যথার্থ মনে হয় না।
-
ফ্রান্স, স্পেন ও নরওয়ে ব্যতিক্রম তাতে সন্দেহ নেই, তবে ইংল্যান্ড ও পর্তুগালের মতো ব্যালান্স দল এই দৌড়ে এখনো নিজেকে যেন খুঁজে ফিরছে! তারা হয়তো সামনে ঘুরে দাঁড়াবে। সেমি অথবা ফাইনালেও যেতে পারে, তবে তাদের গতি ও অ্যাথলেটিক স্কিল নির্ভর প্রেসিং ফুটবলে সৃজনশীলতার ঘাটতি চোখে পড়ছে। একটা যান্ত্রিক রোবোটিক ফুটবলের মহড়া খেলাটির বিউটিকে ম্রিয়মাণ করছে ভালোই।
-
মোদ্দা কথা, মনুসংহিতা বেদের ‘প্রতিধ্বনি’ নয়, বরং প্রায়োগিক ধর্মশাস্ত্র। ফুকোর ‘ক্ষমতা রাজনীতি’র হাতিয়ার। সমাজকে সংগঠিত ও বশে রাখতে প্রণীত। বেদ-উপনষিদের সুদূরপ্রসারী জগৎবীক্ষণ ও আধ্যাত্মিক স্ফুরণ শুধু নয়, এর অতিকায় দার্শনিকতা এখানে এসে সংকুচিত হয়েছে।
-
...এগুলো থেকে জন্ম নিচ্ছে একালের শিল্প। এটিও আবার একধরনের অ্যাকশন আর্ট। কাউন্টার অ্যাকশন আর্ট। একে এখন ঠেকাবেন কী দিয়ে? যেখানে, সম্মুখগামী রাজনৈতিক ও সামাজিক পালাবদলের সকল সম্ভাবনা আপাতত বালিতে মুখ গুঁজেছে!