...জেন এমন এক বিশ্বদৃষ্টি, যেখানে কোনোকিছু তার নিজেকে কেন্দ্র করে তুলছে না। কোনোকিছু নিজের ওপর দাঁড়িয়ে থাকতেও অধীর নয়। চূড়ান্ত ক্ষমতা হয়ে চেপে বসার বাতিকও তার নেই। এই জেন হলো ঈশ্বরবিহীন, উদ্দেশ্যবিহীন ও ক্ষমতাবিহীন, তবে এটা কিন্তু নৈরাশ্যবাদী নয় কোনোভাবে। এই জেন একধরনের খোলা, নির্ভার, নীরব উপস্থিতির পথ দেখায় আমাদের।
-
-
অন্য গ্রহ থেকে আগত প্রাণের কল্পবিজ্ঞানে মানুষ এখনো তাকে শত্রু বা প্রতিপক্ষ জ্ঞান করতেই অভ্যস্ত;—অ্যারাইভ্যাল সত্যটি স্মরণ করিয়ে দিতে ভোলেনি। ভিনগ্রহী প্রাণী মিত্র হতে পারে এই ভাবনা কদাচিত মানুষকে ভাবিয়ে তুলেছে।
-
সহিংসতাকে তিনি কেবল রাজনৈতিক কৌশল হিসেবে নয়, জাতিগত ঐক্য গঠনের মাধ্যম হিসেবেও দেখেছিলেন। তাঁর ভাষায়, হিন্দুরা মুসলমানদের সঙ্গে দীর্ঘ সংঘাতের মধ্য দিয়েই নিজেদের ‘হিন্দু’ হিসেবে চিনতে শিখেছে।
-
ফ্যাক্ট চেকিং তথ্যকে ঠিক করতে পারে, কিন্তু ‘সত্য’ তৈরি করতে পারে না। কেননা, সত্য নিছক সঠিক তথ্য নয়, তা হলো একধরনের প্রতিশ্রুতি এবং বয়ানগত অর্থ ও স্থায়িত্ব।
-
ক্তবাজার অর্থনীতি ছিল আপাত সর্বশেষ, তার প্রাসঙ্গিকতা গৌণ হওয়াকে পুঁজিবাদের মরণ ভাবছেন অনেকে, ন্যাক্রোপলিটিক্স ও প্রযুক্তি সামন্তবাদকে যেমন ধরে নিচ্ছেন অবক্ষয়ের ধাপ হিসেবে... এসব ভাবনার মধ্যে কাজ করছে ওই চিরাচরিত বামপন্থী বিকার! কার্যত এগুলো কিংবা ‘গ্লোবাল ট্রাম্পিজম’ পুঁজিবাদকে আয়ু দিচ্ছে নতুন করে।