• পোস্ট শোকেস - হাওরপুরাণ

    চেনা গান, অচেনা গীতিকার-৫ : সজল কান্তি সরকার

    তার কথায় বাধা দেই আমি : ‘কেন? কবি না আপনি, এইটা কে বলল? কবি হইতে গেলে কী লাগে? কোনো বংশ? নাকি কবির ঘরে কবি জন্মে? আপনার কী ধারণা? কবি হইতে গেলে বেশি পড়াশোনা লাগে?’ তিনি মাথা নেড়ে আমার প্রশ্নের মোক্ষম জবাবটাই দিলেন! কবি হইতে গেলে এসব কিছু লাগে না; তা তিনি বোঝেন, আর আমাকেও বোঝালেন। আমি তার কথায় জোর দিতেই বলছি তখন : ‘কবি তো সেই হতে পারে, যে কবিতা লিখতে পারে; যার লেখার জ্ঞান আছে। যেমন, আপনি গান লিখছেন, আপনি গীতিকার!’

  • পোস্ট শোকেস - হাওরপুরাণ

    চেনা গান, অচেনা গীতিকার-৩ — সজল কান্তি সরকার

    তাই লোকগীতগুলো রচনাশৈলীল দিক থেকে দুটি অনুশাসনের গাঁথুনিতে বেশি প্রকাশ পায় : ১. মুখ্যাদ্যিয়া; ২. মহলা। পর্বের উপাচার, সময়কাল, আশপাশ ও অনুষঙ্গ বিবেচনায় আসরে তাৎক্ষণিক নারীদের মুখে-মুখে রচিত গীতকেই মুখ্যাদ্যিয়া গীত বলে। এ ধরনের গীত রচনায় একে অন্যের মুখ থেকে কেড়ে নিয়ে পদ তৈরি করে গীতকে সমৃদ্ধ করতে পারে। গীতে যেহেতু গীতিকারের বাহাদুরি নাই, সেহেতু সকলেই গীতের স্রষ্টা। তাই মিলেমিশে গীত রচনা কারও অপারগতা নয়, বরং সফলতা ও সমৃদ্ধির অহংকার।