ক্রীড়া গবেষণার ভিত সবল না-হলে ক্রীড়াসাহিত্য একটা দেশে কখনো মজবুত হয় না। আমাদের এখানে ফুটবল, ক্রিকেট থেকে আরম্ভ করে অন্য খেলায় যেসব ঘটনা ও চরিত্রদের এ-পর্যন্ত পাচ্ছি, এসব নিয়ে মনে রাখার মতো রচনায় তাই ঘাটতি অনেক। খেলাকে ঘিরে আবর্তিত সমাজ-মনস্তত্ত্ব অনুসন্ধানের তাগিদ গড়ে ওঠেনি। রসেবশে সরস রচনার খামতি যে-কারণে আফসোসের তালিকা দীর্ঘ করে যায়।
-
-
কাপ যেই জিতুক, ২২-এর মতো অবিস্মরণীয় ফাইনাল যদি হয়, আরো কিছু এরকম ম্যাচ হয় নকআউট পর্বে, শাকিরা বিবির দাই দাই গান আহামরি না হওয়ায় কিচ্ছু যাবে আসবে না।
-
এই আলোকে গাজাকে ব্যতিক্রমী পরিসর গণ্য করা উচিত;—একটি গহ্বর, যেখানে ইসরায়েল ‘যৌক্তিকতার’ নাম করে যা ইচ্ছা তাই ছুড়তে পারে। কেননা, এটি অন্যান্য অতিভৌগোলিক পরিসরের মতো নয়, এই গহ্বরের তলদেশে রয়েছে অ-সত্তা বা অস্তিত্বহীন জনসমষ্টি, যাদের আর্তনাদ শোনা যায় না, আর তাদেরকে মেরে ফেলাটা স্বাভাবিক করে তোলা হয়েছে।
-
বল কখনো ঠিক জায়গা আসবে না জেনেই আমরা খেলি। লাইফ ইজ অ্যা গেম। আর আমরা ওই গেমটা একাগ্র উত্তেজনায় যখন খেলি, তখন মনে থাকে না গেম খেলতেছি। যেখানে আমরা মাঝেমধ্যে জিতি, তবে হারি অবিরত। এখন যেমন গোহারা হারতেছি! এদুয়ার্দো গালিয়ানো বুঝি সেরকম একখান ঘটনার আভাস দিতে তাঁর সকার ইন সান এন্ড শ্যাডোয় আলবেয়ার কামুর কাহিনি পেশ করছিলেন।