প্রতিকার মানে ‘আরও দক্ষতা’ নয়, প্রতিকার হলো ‘থামার ক্ষমতা’, ‘শোনার ক্ষমতা’ ও ‘ঘটতে দেওয়ার’ ক্ষমতা। ধ্যান, নীরবতা, অপেক্ষা, খেলা, উৎসব, অলঙ্কার ইত্যাদিরা হচ্ছে সেই বিশেষ ‘বিলাস’। মানুষের জীবনে এগুলো কোনো ঘাটতি নয়। এগুলো হলো সংস্কৃতির উৎস, সেইসঙ্গে সত্যের দরজা ও নতুনের জন্মভূমি।
-
-
আধুনিক যুগে কাজ ধীরে ধীরে জীবনের কেন্দ্র দখল করে নিয়েছে। ধর্মীয় শৃঙ্খলা, পুঁজিবাদের উত্থান ও শিল্পযুগের যান্ত্রিক সময় মিলিয়ে মানুষকে এমন এক কর্মজীবনে ঠেলে দিয়েছে, যেখানে অবসর আর স্বাধীনতায় রঙিন নয়; এক বরং অপরাধ বলে ভাবে মানুষ। সময় যেন সঞ্চয়ের বস্তু! শ্রম কেবল মুক্তির প্রতিশ্রুতি! আর জীবন অবিরাম কাজ করে চলার প্রবাহ! এই প্রবাহ মানুষকে ধ্যান থেকে দূরে সরিয়ে দেয়।…
-
বইপ্রেমীরা কি আসলেও বই পাঠ করে? আমার মনে হয়, জরিপ করলে ভিমড়ি খাওয়ার মতো তথ্য পাওয়া যাবে। দেখা যাবে,—আকাটের দল বই জমায়, কিন্তু পড়ে না। পড়া ও পড়ার ভান করা পৃথক ঘটনা। তবে এই-যে তারা পড়ে না, তাতে আমি আনন্দিত। সভ্যতা এতো-এতো বেশি বইয়ে বোঝাই হয়ে আছে, মানুষের হয়তো প্রয়োজন আছে পুনরায় মূর্খ হওয়ার। মূর্খতা নিয়ে আসতে পারে অজ্ঞতা ও…