পুব পশ্চিম কোনো ব্যাপার? বলা যায় না, ওঁদের কেউ বাংলাদেশে তৈরি বানিয়ান পরেছিলেন কিনা। জানলে বাসেত খানকে বলতাম। তবে আমরা সবাই আবার মেড ইন ইন্ডিয়া পরা লোক! আর সব পরিচয় মুছে আদতে ভারতীয়। আর বিদেশের মাটিতে একজন ভারতীয়কে দেখলে আমার ঠিক যে আনন্দ, ওঁদেরও তো সেই আনন্দ!
-
-
পাখি গায় না কাউকে শোনানোর জন্য; গায়, কারণ গানই তার স্বভাব। মানুষের কানে কখনও সেই গান আনন্দের, কখনও বেদনার, কখনও আবার এক অজ্ঞাত শূন্যতার প্রতিধ্বনি হয়ে ধরা দেয়। এই অনিশ্চিত অনুভবের গভীরতাই মানুষের অবচেতনকে নীরবে স্পর্শ করে, তাকে নিজের অন্তর্জগতের মুখোমুখি দাঁড় করায়।
-
একজন মননশীল লেখক বাস্তবের মানুষটার চুল-চামড়া-দাঁতের কালো দাগসহ তাঁর লেখায় খুব বেশি হলে ছায়াটুকু নিতে পারেন, অবশ্যই কোনো স্থিরচিত্র নয়। আর কী কী দিতে পারেন? দেবেন তো তাঁর পবিত্র আত্মা থেকে! মনোবিজ্ঞানীর চোখ, কুকুরের মতো ঘ্রাণশক্তি আর দরদি আত্মা দিয়ে সময়চেতনার টানটান তার দিয়ে বাঁধতে পারেন ছোটগল্প নামের দোতারাটা।
-
বিকল করার মতো কিছু একটা ভীষণ প্রয়োজন। হায় ঝিঁঝিঁ, হায় বর্ষার ভেক, তোমাদের ক্ষমতা নেই থামিয়ে দিতে পারো কোলাহল চিরতরে...। টানা ধাতব গুঞ্জন ছাড়া আর কিছু থাকবে না ধরায়! আমরা সেখান মৃত শব। ঝিঁঝিঁ ডেকে যাচ্ছে বিরতিহীন ছন্দে। জীবনানন্দের অজস্র হরিয়ালের বীভৎস ডানা ঝাপটানোর মতো ধাতব গুঞ্জন অযুত-নিযুত বছর ধরে...
-
জানি হাঁটারও একাগ্রতা আছে। তারপর ভাবছি যতগুলো মুখ দৃষ্টির জালে ওঠে, ততগুলো কবিতায় না জাগালে ক্ষতি নেই! চোখের পাশে দাঁড়ানো আর নিজের ভেতর নিজেকে তাড়ানো কখনো একই আবর্তে আসে না;—যদি না স্পর্শ থেকে তৃপ্তি আসে...