সেতু ভাই, আপনার আলোচনায় মিশেল ফুকোর অবতারণা যেমন অনিবার্য মানতে হবে, অন্যদিকে এর ফলে ঝুঁকি ও ভুল বোঝার সম্ভাবনা তা তৈরি করে। নাগরী লিপিকে ভিত্তি ধরে সিলেটি ভাষাকে বাংলা থেকে স্বতন্ত্র ভাষারূপ দাবি করাটা তার মধ্যে অন্যতম। আপনি যদিও এর যৌক্তিকতা ও অযৌক্তিকতা দুটোই আলোচনায় ভালোই টেনেছেন।
-
-
রোজেনবার্গের দৃষ্টিতে, এটি ‘অ্যাকশন’ নয়; বরং ‘অ্যাকশন’-র অনুকরণ;—একধরনের ছদ্মকর্ম। কারণ, এখানে শিল্পী নিজে আর ঝুঁকিতে নেই। সংগতকারণে রোজেনবার্গ প্রশ্ন তুলছেন : যে-শিল্পী নিজে বিপন্ন নয়, সে কি আদৌ ‘কর্ম’ করছে?
-
পরাধীনতা কি কেবল ক্ষতি করেছে, নাকি আত্মপরিচয়ের নতুন রূপ গঠনে ভূমিকা রেখেছিল তা? আলোচনা এখানে এসে বেশিদূর অগ্রসর হয়নি। কামাল ভাই ভিন্নমত পোষণ করলেও একে এগিয়ে নেননি। এতে করে সম্ভাব্য তাত্ত্বিক বিতর্ক অসম্পূর্ণ থেকে গেল!
-
রাষ্ট্র কি নাগরিকদের ধর্মীয় পরিচয়কে রাজনৈতিক কাঠামোর ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করবে, নাকি নাগরিক বহুত্ববাদকে স্বীকৃতি দিয়ে নিজেকে তুলনামূলকভাবে নিরপেক্ষ রাখবে?... ইরানের সাম্প্রতিক আন্দোলন অন্তত এটুকু স্পষ্ট করেছে : রাষ্ট্র ও ধর্মের সম্পর্ক নিয়ে যে-বিতর্কটি বহুদিন ধরে তাত্ত্বিক পরিসরে ছিল, তা এখন বাস্তব সমাজের ভিতরেই নতুন করে আলোচনায় উঠছে।
-
গান মূলত শোনার বিষয় হলেও, এখন তা দেখারও বিষয় বটে। আমাদের চোখ ও কান দুটোই এখানে এই সংযোগকে পড়তে ও অর্থ করতে শিখে গেছে। এটিও একধরনের ইম্প্রোভাইজেশন। প্রথমে পারেনি, কারণ ওই পূর্ব-সংস্কার। এটি এখানে বড়ো অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায় প্রায়শই। আমরা কেউ সম্ভবত এর থেকে মুক্ত নই।