গানে গানে রাখালগণ যখন শ্রীকৃষ্ণকে গোষ্ঠে নিতে অনুনয়-বিনুনয় করে কিংবা রোষে বিচলিত হয় তখন আসরে বসে থাকা তুলা মিয়ার বাপ মাথা নাড়িয়ে মিনমিন করে তার ভিতরে লালন করা আসল কথাটি বলে ওঠে : ‘কাম অইত না! কাম অইত না! মা’র কাছে যাও। মাতৃআজ্ঞা নাও।’
-
-
আদি পেশা বেহাত দশা মাছেরও আকাল/ মনাইর খুঁজে বীরোজাল্যুয়া ছাড়িল ময়াল/ পন্থে হাটে কণ্ঠে গায় কৈবর্তপুরাণ/ যে-গাঙে ডুবিয়া মনাই করিত সিনান
-
ধীরে ধীরে নৌকো পৌঁছে যায় গ্রামের কাছাকাছি। এসব ভাবনা ছাপিয়ে নানির মস্তিষ্কে তখন জটিল অঙ্কের খেলা চলেছে। কত টাকা কুলসীর মায়ের হাতে দিয়ে নিজের জন্য কত বাঁচানো যায়? জীবন মানেই তো অর্থের হিসেব মিলানো : যত দরিদ্রই হোক না সে!
-
বেসুরও সময়ে বন্দি ঢেউ-পবনের সুর/ হাওরের সুরধ্বনি কৃপা করো মোর।/ কৃপামাগে দীনবন্ধু কন্ঠ করো দান / ঢেউপবনের সুরে গাই হাওরপুরাণ।
-
ভট্ট কবিতা বা ভট্ট সঙ্গীত এবং ভাট কবিতা এক নয়। ভট্ট কবিতায় ভাট কবিতার মত প্রথম বাক্যের তিন অংশের দুই অংশে ছন্দমিল বা দুইবাক্যে অন্তমিল থাকে না। যদিও ভট্ট কবিতাকে ভাট কবিতা বলে অনেক গবেষকগণ লিখিত মত প্রকাশ করেছেন।