• পোস্ট শোকেস - হাওরপুরাণ

    বান্দিপুরাণ : সজল কান্তি সরকার

    সেদিন ব্রাহ্মণ তার ব্রাহ্মণ্যত্ব রক্ষার জন্য সন্তান বিক্রয়ের পৈশাচিকতা মেনে নেওয়া সত্ত্বেও ক্রেতার সঙ্গে দর কষাকষি করতে পারল না। লাখ টাকার ‘মাল’ বিক্রি হলো মাত্র এক টাকায়। দাসখতের বিক্রয় দলিলে ব্রাহ্মণ ভুল ঠিকানা দিল ঈজ্জতের ভয়ে। মায়ারাণী এরপর থেকে ভুল ঠিকানায় বাবার ইজ্জত আড়াল করে বান্দি হয়।

  • পোস্ট শোকেস - হাওরপুরাণ

    চেনা গান, অচেনা গীতিকার-৫ : সজল কান্তি সরকার

    তার কথায় বাধা দেই আমি : ‘কেন? কবি না আপনি, এইটা কে বলল? কবি হইতে গেলে কী লাগে? কোনো বংশ? নাকি কবির ঘরে কবি জন্মে? আপনার কী ধারণা? কবি হইতে গেলে বেশি পড়াশোনা লাগে?’ তিনি মাথা নেড়ে আমার প্রশ্নের মোক্ষম জবাবটাই দিলেন! কবি হইতে গেলে এসব কিছু লাগে না; তা তিনি বোঝেন, আর আমাকেও বোঝালেন। আমি তার কথায় জোর দিতেই…

  • পোস্ট শোকেস - হাওরপুরাণ

    সরস্বতীকথা : সজল কান্তি সরকার

    বাগ্দেবীতে রূপান্তরিত হয়। সরস্বতী শব্দের অর্থ বাগদেবী, বাক্য-ভারতী, বাণী ও প্রাচীন নদীবিশেষ। তিনি জ্ঞান, সংগীত, শিল্পকলা, বুদ্ধি ও বিদ্যার দেবী। সরস্বতী শব্দটি ‘সার’ এবং ‘স্ব’ দুটি শব্দে গঠিত। আবার যা ‘সুরস বতি’ সংস্কৃত শব্দ থেকে এসেছে। যার অর্থ জলের আধার। ঋগ্বেদে উল্লেখ আছে : ‘অম্বিতমে নদীতমে দেবীতমে সরস্বতী।’

  • পোস্ট শোকেস - হাওরপুরাণ

    চেনা গান, অচেনা গীতিকার-৪ : সজল কান্তি সরকার

    ধামাইল গীতাশ্রয়ী গান। আগের গানে ভণিতা নাই। ধামাইল গানের কেউ একক জনক-টনক নাই। গীতনি মেয়েরাই ধামাইল গানের জনক-জননী। রাধারমণের গান মেয়েরা গেয়ে ধামাইলে রূপ দিছে বা জনপ্রিয় করছে। রাধারমণ ধামাইল হিসেবে গান লিখেননি। তিনি রাধা-কৃষ্ণবিচ্ছেদে গান লিখছেন। অনেক বাউল গানও এখন ধামাইল ঢংয়ে গাওয়া হয়।

  • পোস্ট শোকেস - হাওরপুরাণ

    চেনা গান, অচেনা গীতিকার-৩ — সজল কান্তি সরকার

    তাই লোকগীতগুলো রচনাশৈলীল দিক থেকে দুটি অনুশাসনের গাঁথুনিতে বেশি প্রকাশ পায় : ১. মুখ্যাদ্যিয়া; ২. মহলা। পর্বের উপাচার, সময়কাল, আশপাশ ও অনুষঙ্গ বিবেচনায় আসরে তাৎক্ষণিক নারীদের মুখে-মুখে রচিত গীতকেই মুখ্যাদ্যিয়া গীত বলে। এ ধরনের গীত রচনায় একে অন্যের মুখ থেকে কেড়ে নিয়ে পদ তৈরি করে গীতকে সমৃদ্ধ করতে পারে। গীতে যেহেতু গীতিকারের বাহাদুরি নাই, সেহেতু সকলেই গীতের স্রষ্টা। তাই মিলেমিশে…