রোনালদোর অভিধানে এরকম মেসিতে মসিময় ‘আবেগ’ দর্শক কখনো দেখেছে বলে আমার অন্তত অজানা। ‘আবেগ’কে সম্ভবত ভিতরে গুম করে মাঠে নামে সিআর সেভেন। নিজের স্ট্রাগলকে পারতপক্ষে সামনে আনে না। মুখের রেখা দেখে বোঝার উপায় থাকে না এই লোকটা মাঠে খেলতে নেমে চোখের আসু কবে বা কোনোদিন মুছেছিল কি-না!
-
-
মানুষের জীবনে সবচেয়ে বড়ো প্রাপ্তি কখনও-কখনও গভীর প্রেম নয়, বরং এমন একজন মানুষের অস্তিত্ব, যে-আন্তরিকভাবে তার খোঁজ রাখছে;—এই সত্যটাই কবিতার কেন্দ্রীয় বক্তব্য।
-
ডেভিড হকনির এই রং কিন্তু অপ্রাকৃতিক লাগে দেখে! আমাদের দেখা রংয়ের মতো নয়। হতে পারে, ওটাই প্রকৃত রং আসলে! যা কেবল আঁকিয়েরা দেখতে পায়। হকনি স্মরণে থাকবেন, এবং তা এজন্যও,—তাঁর কাজের ধারা অন্যসব মহান শিল্পীর মতোই প্রাঞ্জল কিন্তু গভীরজটিল। একবার দেখার পর ফিরে দেখার তৃষ্ণা তীব্র থেকে যায়।
-
মিনোটরের গোলকধাঁধা ভেঙে পড়েছে কবে,/ তবু শহরগুলো আজও পথ হারায়।/ আমরা ভাঙা সময়ে সুতো ধরে এগোতে চাই—/ দেখি সুতোটাই জড়িয়ে গেছে গলায়।
-
নতুন পরিবেশনায় ‘লঞ্চ চলে ধীরে ধীরে’ শ্রবণের ক্ষণে আতকা এই ভাবনা উদয় হলো মনে,— আচ্ছা, গানটির বয়স কত হতে পারে? গানে সরাসরি ‘লঞ্চ’ ও ‘মোটরকার’-এর রেফারেন্স এসেছে। তো এই হিসাবে এর বয়স দেড়শো থেকে দুশো বছরের বেশি হওয়ার কথা নয়। সবদিক বিবেচনায় নিলে বয়স আরো কমে আসার সম্ভাবনা থাকছে।