এরকম শ্বাসরুদ্ধকর দুপুরে দূরের টেলিগ্রাফের খাম্বাকেও অপরিচিত লাগছে তার। একটু দূরে উড়ে বেড়ানো কালো ফিঙে পাখি, এর মত্ত, তিরতির, মসৃণ পালকে বলক তোলা দেখে আগে কত উচ্ছসিত হয়েছে! কি স্বাধীন এইসব পাখি! বছর পাঁচেক আগে সে নিজেও ঢাকায় ইডেন কলেজ প্রাঙ্গনে এমন করেই ঘুরেফিরে বেরিয়েছে। শিরিন আলতো হাত বুলিয়ে আদর করে নিজের পেট।
-
-
হ্যাঁ, এই নতুন যান্ত্রিক যাত্রার সঙ্গে মানুষ ন্যাচারাল কম্যান্ডগুলো ভুলে যাচ্ছে। আলেকজান্ডার বলেছিলেন, এইসব ক্ষমতা আমাদের মধ্যে ইন্সটিঙ্কটলি ছিল। এখন আবার চেষ্টা করে শিখতে হচ্ছে, তো আমাদের জীবনদেবতা এক্ষেত্রে আমাদের অস্তিত্বকে জাগাতে আবার আহবান জানায়, প্রকৃতিকে অনুসন্ধান করতে বলে...
-
জল তুমিও ঘুরছো চক্রাকারে/ আগুন তুমিও জ্বলছো নিরবধি/ যেন তোমরাও পরার অধীন
-
লোকসুরের উচ্ছল তরঙ্গ গানটির প্রতি অঙ্গে বহমান। কাজী নজরুল ইসলামের মর্মে গানটি সেইসময় গেঁথে গিয়েছিল বলে কথা চাউর আছে। আমরা জানি, নজরুল সৈনিকের ভূমিকা নিভিয়েছেন কিছুদিন। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে অংশ নিতে হয় তাঁকে। টার্কিশ গানটির সঙ্গে সেই সুবাদে পরিচয় ঘটার সম্ভানা রয়েছে বিলক্ষণ।
-
একধরনের কালচারাল ডোমিনেন্স এভাবে তৈরি হয় বুদ্ধ মূর্তিকে ঘিরে। তাঁর অবয়বকে আফ্রিকান রীতি মেনে তৈরি করা মানহানিকর বলে বিবেচনার যুগ শুরু হয়। এই বুদ্ধ এখন মঙ্গোলিয়াড মুখাবয়ব ধারণ করে হয়ে উঠলেন গোলাকার ও হৃষ্টপুষ্ট। গান্ধার রীতি মেনে বুদ্ধ মূর্তি গড়ার ধারাকে এভাবে নতুন ন্যারেটিভের নিচে খতম করে দেওয়া হলো কার্যত। যেটিকে পরে আর কোনোভাবে পাদপ্রদীপে আসতে দেওয়া হয়নি।