রোজেনবার্গ তাই জোর দিয়ে বলেছিলেন : আগের যে-কোনো সময়ের তুলনায় লেখক, শিল্পী ও বুদ্ধিজীবীর দায়িত্ব এখন আরও গভীর ও কঠিন। তাঁর মতে, বুদ্ধিজীবীর কাজ হলো বিশেষজ্ঞ জ্ঞানের দাবি একপাশে সরিয়ে রেখে নিজের চোখে দেখা বাস্তবতার প্রতি ব্যক্তিগত ও স্পষ্ট প্রতিক্রিয়া জানানো।
-
-
পরাধীনতা কি কেবল ক্ষতি করেছে, নাকি আত্মপরিচয়ের নতুন রূপ গঠনে ভূমিকা রেখেছিল তা? আলোচনা এখানে এসে বেশিদূর অগ্রসর হয়নি। কামাল ভাই ভিন্নমত পোষণ করলেও একে এগিয়ে নেননি। এতে করে সম্ভাব্য তাত্ত্বিক বিতর্ক অসম্পূর্ণ থেকে গেল!
-
যে-সমাজে স্বাধীন বৌদ্ধিক বিকাশের ক্ষেত্র সংকুচিত হয়, সেখানে সেরা মেধা টিকে থাকতে চায় না। বিপ্লবোত্তর ইরানের জ্ঞান-প্রকল্প তার নিজের সেরা সন্তানদের যে-কারণে ধরে রাখতে পারেনি।
-
কবি ওরফে ঈশ্বরের মনে আশা সৃষ্টি হবে তাঁর মতো;—তাঁর স্ত্রী ঈশ্বরীর মতো চিরকল্যাণকর! আর, যদি তা না হয়, যদি আবারও প্রমাণ হয় তিনি সৃষ্টিতে ভুল করেছেন আবারো, তাঁর আশা ব্যর্থ করে নারকীয় গোলযোগ ও অবিশ্বাসের অশুভ মাতনে ধ্বংস হচ্ছে সব… এই প্রশ্নের কোনো উত্তর আসলেও নেই।
-
রাষ্ট্র কি নাগরিকদের ধর্মীয় পরিচয়কে রাজনৈতিক কাঠামোর ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করবে, নাকি নাগরিক বহুত্ববাদকে স্বীকৃতি দিয়ে নিজেকে তুলনামূলকভাবে নিরপেক্ষ রাখবে?... ইরানের সাম্প্রতিক আন্দোলন অন্তত এটুকু স্পষ্ট করেছে : রাষ্ট্র ও ধর্মের সম্পর্ক নিয়ে যে-বিতর্কটি বহুদিন ধরে তাত্ত্বিক পরিসরে ছিল, তা এখন বাস্তব সমাজের ভিতরেই নতুন করে আলোচনায় উঠছে।