বাংলাদেশ এখনো বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি, তবে মানুষের মধ্যে ফুটবল নিয়ে তীব্র আবেগ থাকায় দেশে বিপুল পরিমাণ মৌসুমি অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পলিলক্ষিত হয়। জার্সি, পতাকা, ব্যানার তৈরি ও বিক্রির মাধ্যমে স্থানীয় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা লাভবান হয়। বড়ো পর্দায় খেলা দেখাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন বিজ্ঞাপনী প্রচার, ডিজিটাল ও হোটেল-রেস্তোরাঁয় বিশেষ প্যাকেজ দেশে শত শত কোটি টাকার অর্থনৈতিক প্রবাহ তৈরি করে।
-
-
ফ্রান্স, স্পেন ও নরওয়ে ব্যতিক্রম তাতে সন্দেহ নেই, তবে ইংল্যান্ড ও পর্তুগালের মতো ব্যালান্স দল এই দৌড়ে এখনো নিজেকে যেন খুঁজে ফিরছে! তারা হয়তো সামনে ঘুরে দাঁড়াবে। সেমি অথবা ফাইনালেও যেতে পারে, তবে তাদের গতি ও অ্যাথলেটিক স্কিল নির্ভর প্রেসিং ফুটবলে সৃজনশীলতার ঘাটতি চোখে পড়ছে। একটা যান্ত্রিক রোবোটিক ফুটবলের মহড়া খেলাটির বিউটিকে ম্রিয়মাণ করছে ভালোই।
-
...তিনবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার সামনে ১২০ মিনিটের হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে মাথা নত করেনি একবারও। দুবার পিছিয়ে পড়ে প্রতিদ্বন্দ্বীতায় ফেরত এসেছে। ওরা যেন প্রতিবার বলছিল, ‘আমরা এখনও বেঁচে আছি, টিকে আছি।’ কেপ ভার্দে যেন মাথা নোয়াতে আসেনি। ফুটবলে ভাগ্য বলে একটা কথা আছে, দলটির বেলায় সেই কথাটা যেন সত্যি হলো। খেলা নয়, ভাগ্যের কাছে হেরে গেছে দলটি!