আদি পেশা বেহাত দশা মাছেরও আকাল/ মনাইর খুঁজে বীরোজাল্যুয়া ছাড়িল ময়াল/ পন্থে হাটে কণ্ঠে গায় কৈবর্তপুরাণ/ যে-গাঙে ডুবিয়া মনাই করিত সিনান
-
-
বেসুরও সময়ে বন্দি ঢেউ-পবনের সুর/ হাওরের সুরধ্বনি কৃপা করো মোর।/ কৃপামাগে দীনবন্ধু কন্ঠ করো দান / ঢেউপবনের সুরে গাই হাওরপুরাণ।
-
ভট্ট কবিতা বা ভট্ট সঙ্গীত এবং ভাট কবিতা এক নয়। ভট্ট কবিতায় ভাট কবিতার মত প্রথম বাক্যের তিন অংশের দুই অংশে ছন্দমিল বা দুইবাক্যে অন্তমিল থাকে না। যদিও ভট্ট কবিতাকে ভাট কবিতা বলে অনেক গবেষকগণ লিখিত মত প্রকাশ করেছেন।
-
সেদিন ব্রাহ্মণ তার ব্রাহ্মণ্যত্ব রক্ষার জন্য সন্তান বিক্রয়ের পৈশাচিকতা মেনে নেওয়া সত্ত্বেও ক্রেতার সঙ্গে দর কষাকষি করতে পারল না। লাখ টাকার ‘মাল’ বিক্রি হলো মাত্র এক টাকায়। দাসখতের বিক্রয় দলিলে ব্রাহ্মণ ভুল ঠিকানা দিল ঈজ্জতের ভয়ে। মায়ারাণী এরপর থেকে ভুল ঠিকানায় বাবার ইজ্জত আড়াল করে বান্দি হয়।
-
তার কথায় বাধা দেই আমি : ‘কেন? কবি না আপনি, এইটা কে বলল? কবি হইতে গেলে কী লাগে? কোনো বংশ? নাকি কবির ঘরে কবি জন্মে? আপনার কী ধারণা? কবি হইতে গেলে বেশি পড়াশোনা লাগে?’ তিনি মাথা নেড়ে আমার প্রশ্নের মোক্ষম জবাবটাই দিলেন! কবি হইতে গেলে এসব কিছু লাগে না; তা তিনি বোঝেন, আর আমাকেও বোঝালেন। আমি তার কথায় জোর দিতেই…