এই ধামাইল গানের নাচে যে-শৈল্পিক দুরন্তপনা ও তেজোদীপ্ত ভাব রয়েছে, আমি তা অন্য কোনো নৃত্যগীত নির্ভর গানে এতটা মূর্ত ও জীবন্ত দেখিনি! ঘুমভাঙা চোখ মুহূর্তে চনমনে নেশায় পড়ে যায়! মনে হয় কিছু কিছু গান যেন নাচকে প্রাধান্য দেওয়ার খেয়াল থেকে পদকর্তারা তৈরি করেছেন। যেখানে, তাঁদের গুরুর নামধাম অজ্ঞাত। লোকনৃত্যের অমূল্য এই রতনকে তাই সময় থাকতে সংরক্ষণ করা জরুরি।
-
-
এসব কার্যকারণে সিলেট অঞ্চল সাংস্কৃতিক দিক দিয়ে ফকিরে পরিণত হয়েছে। লোকসমাজের পাশাপাশি শিক্ষিত ও সংস্কৃতিমনস্ক শাহরিক সমাজ এই অঞ্চলে একদিন গড়ে উঠেছিল। কালের ধারায় সেখানে ছেদ পড়েছে। ইংরেজ ও পাকিস্তান আমলে বিকশিত শিক্ষিতশ্রেণিতে যারা ছিলেন, আজকে ওই মান ও উচ্চতার বিদগ্ধ মানুষ তন্ন-তন্ন করে খুঁজলেও পাওয়া যাবে বলে মনে হয় না। আয়ুব শাহীর আমলে রানী এলিজাবেথের উপহার ভাউচার সিলেটকে ক্রমশ…
-
শিকল পাগলা এই চক্কর হইতে মুক্ত। অন্ধ চোখে দিব্যি সব দেখতে আছে সে! চোখের কী ধার! যখন গান করে,- আমাদের সকল জারিজুরি মনে হয় ন্যাংটা করে দিতেছে। জন্মান্ধ এই চক্ষুষ্মানের আঁখিঠারকে ফাঁকি দিবার নাই উপায়।