আমি চুপচাপ চেয়ে থাকি নিষ্পলক মহিষদের চোখের দিকে—তারাও আমাকে দেখে পরম মমতায়। গভীর রাত। চারদিকে জলের নীরবতার পাশে বসে হঠাৎ বাঁশি হাতে নেয় ব্যাংকার ফয়সাল হাবিব। আমি চমকে উঠে দেখি আমাদেরকে ঘিরে আছে হাজার হাজার মহিষ... ভয়ে, বিস্ময়ে আমি স্তব্ধ হয়ে যাই। বন্ধুরে জিগাই—এতো মহিষ এখানে আসল কীভাবে! সে বাঁশি বাজানো থামিয়ে বলে—ওরা আশেপাশের বাথানেই থাকে। মাঝেমধ্যে আমাকে দেখতে আসে। বাঁশির সুর ওদের খুব পছন্দ।
-
-
পরিমিতি সবখানেই প্রযোজ্য— গাছটা পানি পেলে যেমন সতেজ হয় ফুল ও ফলের উৎসব আনে; কিন্তু অধিক পানি নামিয়ে আনে ঝরা পাতার শোক সামান্য হাওয়াতেই ভেঙে পড়ে তার দেহ।
-
আমরা অন্ধ সিভিলাইজেশনের পা ধরে দাঁড়িয়ে আছি— বাকহীন তামাশায়...
-
হয়তো কেউ কেউ কাঁদবে, আর কেউ দাঁড়িয়ে থাকবে অপ্রকাশ্য স্তব্ধতায়... আমার চিরবিদায় হোক খুব নরম, ঠিক ভালোবাসার নিশ্বাসের মতো— অদেখা, কোমল।
-
কবি ফজলুররহমান বাবুলের তুমি তেমনই বৃক্ষ জ্বর ও জ্বরবিহীন… দুরকম পরিস্থিতিতে বসে পড়া যায়। পড়তে-পড়তে এর সহজতাকে আলিঙ্গন করতে ইচ্ছা করে। কোনো কবিই সম্ভবত ইচ্ছে করে কঠিন লিখতে চায় না। লেখেও না। সে কেবল তার সত্তার মর্মরধ্বনি শব্দজালে ধরতে উতলা বোধ করে। অজান্তে তা কখনো-কখনো জটিল ও দুরারোহ হয়ে পড়ে!