ধুলোয়, অসম্মানের নিচে চাপা পড়ে আছে/ আমার মর্যাদা, সাদা চোখে যা দেখে পৃথিবীর মানুষেরা,/ কিন্তু কেন আমি প্রকাশ করব লজ্জা আমার মুখমণ্ডলে,/ কী সম্মান দিয়েছে আমাকে এ পৃথিবী!
-
-
একটি নয় দুটি বাদুড় উড়ে যায় দূরে তোমার স্বোপার্জিত জ্যোৎস্নায়/ আমাদের ঘাসজল খাড়ুবিল প্রান্তর;/ সুরমার পারে শিশিরের ঘুম চায়/ আজ তাই, আমার কবিতায় তোমার প্রাদেশিক ঘাস।
-
তাদেরকে মনে হচ্ছে পরবর্তীতে বিস্মৃতির কোণে, মানবিক মর্যাদা থেকে সুদূর কোনো প্রকোষ্ঠে গাদাগাদি করে রাখা হবে। হামাস এখানে একমাত্র জন্তু নয়। জৌদাহ যেমন লিখেছেন : ফিলিস্তিনিরা সকলে এখানে ‘অতিরিক্ত ও সত্তাহীন অস্তিত্ব‘।
-
বই আকারে কবিতাগুলো যদি বের করেন, সেক্ষেত্রে আপনার নিজস্ব একখান ব্যাখ্যা বোধহয় পরিশিষ্টে সংযুক্ত করা অন্তিম হয়ে দাঁড়াবে। অন্যথায় প্রথমপাঠে পাঠক ভাবতে পারে,—আপনি জীবনানন্দ দাশের স্বকীয়তাকে ডিরেক্ট কপি করছেন এখানে। গ্রুপে এর আগে যে-কবিতাগুলো দিয়েছেন, তার সঙ্গে তুলনায় যদি যাই, তাহলে সাম্প্রতিক দুটি কবিতায় জীবনানন্দ অধিক মাত্রায় তীব্র, এবং সে-কারণে চ্যালেঞ্জ বাড়ল আপনার!—পাঠকের কাছে জীবনানন্দের স্বর যে-এখানে বিশেষেভাবে বিনির্মিত,—সেটি প্রতিষ্ঠিত করা অতএব গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়াবে সামনে।
-
আমার কিন্তু পরিস্থিতিটা ভীষণ ভালো লাগে নিজের অজান্তেই মটরশুঁটিদানার মতো হেসে ফেলি— যৌনতার ব্যাপারটাও খাপেখাপ এমনই— পশ অ্যারিয়া থেকে কেবল নিচের দিকে নামতে থাকে