ধুলোয়, অসম্মানের নিচে চাপা পড়ে আছে/ আমার মর্যাদা, সাদা চোখে যা দেখে পৃথিবীর মানুষেরা,/ কিন্তু কেন আমি প্রকাশ করব লজ্জা আমার মুখমণ্ডলে,/ কী সম্মান দিয়েছে আমাকে এ পৃথিবী!
-
-
একটি নয় দুটি বাদুড় উড়ে যায় দূরে তোমার স্বোপার্জিত জ্যোৎস্নায়/ আমাদের ঘাসজল খাড়ুবিল প্রান্তর;/ সুরমার পারে শিশিরের ঘুম চায়/ আজ তাই, আমার কবিতায় তোমার প্রাদেশিক ঘাস।
-
মহাবিশ্বের পরিণতি ও ভূত-ভবিষৎ নিয়ে গুরুতর কিংবা বোকাসোকা প্রশ্নের জবাব বালকটি এভাবে জিভ বের করে দিতে জানে। আমার মনে পড়ছিল গণিতে আবারো ডাহা ফেল বালক আইনস্টাইনের কান পাকড়ে জানতে চাইছি.—মহাবিশ্বের সূত্র সে মিলাতে পেরেছে কি-না! তার কাছে একে কী মনে হয় দেখে। মহাবিশ্ব আসলেই দেখতে কেমন! বালক তার দুষ্টুমিভরা চোখ বড়ো করে তুলেছিল, আর জিভ বের করে বুঝিয়ে দিয়েছিল,—মহাবিশ্ব আসলেই…
-
যেখানেই থাকুন কবি, কবিতায় আর গানের টানে বোনা এই গানালেখ্যটি আপনার কাছে পৌঁছে যাবেই যাবে। জানবেন, আমরা আপনাকে আজো ভুলিনি। আপনি আছেন মনের তারায় অভিশাপ হয়ে। থাকবেন, যতদিন আমাদের আয়ু রয়েছে ধরায়। যতদিন, আমরা শিকার হইনি বিস্মরণের!
-
অমিয় চক্রবর্তীর ‘সংগতি’র একখানা সারমর্ম আমরা পেলাম এখন। শহীদ কাদরী অ্যানকাউন্টার টানলেন,—মেলানোর আশা সহজ প্রাকৃতিক হলেও কোনো অঙ্কই অদ্য আর মিলবে না। নাতিদীর্ঘও নয় কবিতাটি;—যদি অমিয় চক্রবর্তীর পাশাপাশি তাকে রাখি। তার মধ্যেই ধরা পড়েছে মানব-ইতিহাসের লক্ষ বছরের আবর্তন। ধরা পড়েছে তার অবিরত গড়িয়ে পড়ার হাস্যকর পরিহাস।