আমিও তোমার অন্ধকার সমুদ্রের মতন/ তিমির দেখি; উদীচীরে চেয়ে হাঁটি/ দেখি, চারিদিকে হনলুলু সাগরের ঢেউ/ আমরা তো চেয়ে আছি তাই/ এখনও তোমার তিমির হননের গান/ ভালোবেসে...
-
-
প্রভুর দিকে চোখ মেলে চাইতে চায় সে প্রাণপণে। জীবনে শেষবারের মত শুনতে চায় ওর কাল্লু কিংবা বাঘা ডাকটা। ঝাঁপসা চোখে দেখতে পায় প্রভুপুত্র হাতের লাঠি ফেলে প্রচণ্ড ঘৃণাভরে উচ্চারণ করে ‘বাঘা’ নয়, ‘কাল্লু’ নয়, ‘শালার কুত্তা’! শালার শব্দটার সঙ্গে ওর পরিচয় নেই। মৃত্যু-মুহূর্তে কুত্তা শব্দটাকে বড়ো অশ্লীল মনে হয় ওর কাছে। মনে হয় পৃথিবীর নৃশংসতম ও অতি-ঘৃণিত একটা শব্দ ওটা।…
-
ধুলোয়, অসম্মানের নিচে চাপা পড়ে আছে/ আমার মর্যাদা, সাদা চোখে যা দেখে পৃথিবীর মানুষেরা,/ কিন্তু কেন আমি প্রকাশ করব লজ্জা আমার মুখমণ্ডলে,/ কী সম্মান দিয়েছে আমাকে এ পৃথিবী!
-
একটি নয় দুটি বাদুড় উড়ে যায় দূরে তোমার স্বোপার্জিত জ্যোৎস্নায়/ আমাদের ঘাসজল খাড়ুবিল প্রান্তর;/ সুরমার পারে শিশিরের ঘুম চায়/ আজ তাই, আমার কবিতায় তোমার প্রাদেশিক ঘাস।
-
বই আকারে কবিতাগুলো যদি বের করেন, সেক্ষেত্রে আপনার নিজস্ব একখান ব্যাখ্যা বোধহয় পরিশিষ্টে সংযুক্ত করা অন্তিম হয়ে দাঁড়াবে। অন্যথায় প্রথমপাঠে পাঠক ভাবতে পারে,—আপনি জীবনানন্দ দাশের স্বকীয়তাকে ডিরেক্ট কপি করছেন এখানে। গ্রুপে এর আগে যে-কবিতাগুলো দিয়েছেন, তার সঙ্গে তুলনায় যদি যাই, তাহলে সাম্প্রতিক দুটি কবিতায় জীবনানন্দ অধিক মাত্রায় তীব্র, এবং সে-কারণে চ্যালেঞ্জ বাড়ল আপনার!—পাঠকের কাছে জীবনানন্দের স্বর যে-এখানে বিশেষেভাবে বিনির্মিত,—সেটি প্রতিষ্ঠিত…