সাচ্চা বিপ্লবী আপস করে না। মচকায় তবু ভাঙে না। তার বিশ্বাসকে আপনি উপহাস করতে পারেন, খারিজ করতে পারেন, কিন্তু তাতে তার কিছু যায় আসে না। সে ওই অমিয়ভূষণ মজুমদারের নভলেটে বর্ণিত ব্যর্থ বিপ্লবীর মতো নিহত শুয়ে থাকে এই আশায়… একদিন সফল হবোই।
-
-
মাঠে ব্যাটে-বলে ওভার দ্য টপ সাকিব মাঠের বাইরেও সেরকম কিছু করে দেখাতে চেয়েছিলেন। খুব-যে ভেবেচিন্তে চেয়েছিলেন এমনটি বলা যাচ্ছে না। তাঁর সহজাত স্বভাবে সাকিব ধরে নিয়েছিলেন,- মাঠের বাইরেও অফস্পিনের টপ্পা দিয়ে ইউকেট ফেলবেন যখন দরকার তখন। ছয় হক্কা হাঁকাবেন আচমকা অথবা এমন কাণ্ড বাঁধাবেন মাঠে, যা নিয়ে লোকজন পরে হইচই করবে, সমলোচনার তীর ছুড়বে, কিন্তু তাঁকে অস্বীকার করতে পারবে না।
-
সংস্কৃতির স্বাভাবিক বিনিময়ের প্রথাকে আমলে না নিয়ে আকিদার প্রশ্নটিকে খেলাফতওয়ালারা সামনে নিয়ে এসেছেন। এমনভাবে নিয়ে এসেছেন, শুনে মনে হবে,- কেবল উনারা সঠিক আর বাকিরা ভ্রান্ত। দল-উপদলে ভাগাভাগি ও কামড়া-কামড়ি সমগ্র মুসলিম বিশ্বে কমন ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। খেলাফতের ছাতায় সবাইকে নিয়ে আসা গেলেই কি এসব মিটে যাবে? খেলাফতের কারণে ধর্মের প্রসার হয়তো দ্রুত ঘটবে, কিন্তু মূল লক্ষ্য থেকে সে আরো দূরে…
-
রানী হামিদ ওসব সংকীর্ণতার অনেক ঊর্ধ্বে বিচরণ করেন। দেশ উনাকে সম্মান দিতে কৃপণতা করছে। হাসিনা রেজিমে উনার কোনো অস্তিত্ব টের পাই নাই। এতে অবশ্য রানী হামিদের সম্মানহানী ঘটেনি একটুও। উনি তখনো মগ্ন দাবাড়ু ছিলেন। এখনো সমান। দেশের এই বর্ষীয়ান দাবারত্নকে তাঁর অর্জনের জন্য স্যালুট।
-
জুলাই আন্দোলনের মুখ্য এজেন্ডাগুলার মধ্যে রাজাকার জিকিরকে লেজিটিমেসি দেওয়ার এজেন্ডাকে সবচেয়ে সিগনিফিকেন্ট বইলা ধরা যাইতে পারে। একাত্তরের পর হইতে যে-ছাপ্পা উনাদের পিঠে অকাট্য ছিল, এখন সেইটা মুছে দেওয়ার উপলক্ষ তারা পাইতেছেন। কালক্রমে বিহারি কমিউনিটি হইতে উঠে আসা বুদ্ধিজীবী ফাহাম আবদুস সালামের মতো একাত্তর সনের মরণপণ জনযুদ্ধকে বিগ স্ক্যাম ও চব্বিশকে প্রকৃত মুক্তিযুদ্ধ বা স্বাধীনতা বইলা আবাল জাতির মগজে পুশ করতে…