একধরনের কালচারাল ডোমিনেন্স এভাবে তৈরি হয় বুদ্ধ মূর্তিকে ঘিরে। তাঁর অবয়বকে আফ্রিকান রীতি মেনে তৈরি করা মানহানিকর বলে বিবেচনার যুগ শুরু হয়। এই বুদ্ধ এখন মঙ্গোলিয়াড মুখাবয়ব ধারণ করে হয়ে উঠলেন গোলাকার ও হৃষ্টপুষ্ট। গান্ধার রীতি মেনে বুদ্ধ মূর্তি গড়ার ধারাকে এভাবে নতুন ন্যারেটিভের নিচে খতম করে দেওয়া হলো কার্যত। যেটিকে পরে আর কোনোভাবে পাদপ্রদীপে আসতে দেওয়া হয়নি।
-
-
কালের বিবর্তনে ‘দাস্তান-ই-দিলরুবাই’ ব্যবহারে আগ্রহীরা ভিন্ন সময়রেখায় দেখা দেওয়া চরিত্রগুলোকে বড়শিতে গেঁথেছেন। বেগম সামরু ঐতিহাসিক চরিত্র। মহ লাকা বাই (মনে হলো) কাল্পনিক। সালমান রুশদি চেহারা-সুরতে বাস্তব মানু হলেও, খোমেনির নূরানি চেহারা চোখে ভাসলে রুশদিকে মনে হয় জাদুবাস্তব! সে যাকগে, উর্দু সাহিত্যে রেফারেন্স হিসেবে প্রথম দুজনের নাম প্রায়ই উঠে আসে। এর মূল কারণ তাঁদের নারী হিসেব বেড়ে ওঠা ও নাটকীয় জীবনধরায়…
-
খোমায় মাঞ্জা মাইরা আমরা হালায় ঘুরি— / বাইরে দেখতে ফিটফাট/ মাগার্ ভিত্রে ঠনঠনা—/ ভিত্রে ঠনঠনা আমরা/ ভিত্রে ঠনঠনা।
-
গান মূলত শোনার বিষয় হলেও, এখন তা দেখারও বিষয় বটে। আমাদের চোখ ও কান দুটোই এখানে এই সংযোগকে পড়তে ও অর্থ করতে শিখে গেছে। এটিও একধরনের ইম্প্রোভাইজেশন। প্রথমে পারেনি, কারণ ওই পূর্ব-সংস্কার। এটি এখানে বড়ো অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায় প্রায়শই। আমরা কেউ সম্ভবত এর থেকে মুক্ত নই।
-
'নদী, তুমি কোন কথা কও?'—এই প্রশ্নের উত্তর নিশ্চয় নদী দেয়। প্রশ্ন হলো, আমরা কি আবার কখনও জীবনানন্দের মতো থেমে দাঁড়িয়ে শুনব? নাকি শেষপর্যন্ত সেই সভ্যতার অংশ হয়েই থাকব, যারা নদীর ভাষা না-বুঝে তাকে 'নীরব' ঘোষণা করেছিল?