কোহেনও গরল পান করেন গানে; এবং তাতেই তিনি অন্তত আমার কাছে একালের হর হর মহাদেব! তাঁকে বলতে পারি, হে গানের নবি, দুঃখ ও অশুভে আমরা জর্জরিত... তুমি বরং এমন একখানা গান গাও, যে-গান শ্রবণে আমাদের সত্তা ও অস্তিত্ব বুঝতে পারে আমরা কোথায় আছি, আর কেমন এই পুরোহিত কঙ্কালের পাশাখেলা!
-
-
কবি ওরফে ঈশ্বরের মনে আশা সৃষ্টি হবে তাঁর মতো;—তাঁর স্ত্রী ঈশ্বরীর মতো চিরকল্যাণকর! আর, যদি তা না হয়, যদি আবারও প্রমাণ হয় তিনি সৃষ্টিতে ভুল করেছেন আবারো, তাঁর আশা ব্যর্থ করে নারকীয় গোলযোগ ও অবিশ্বাসের অশুভ মাতনে ধ্বংস হচ্ছে সব… এই প্রশ্নের কোনো উত্তর আসলেও নেই।
-
রাষ্ট্র কি নাগরিকদের ধর্মীয় পরিচয়কে রাজনৈতিক কাঠামোর ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করবে, নাকি নাগরিক বহুত্ববাদকে স্বীকৃতি দিয়ে নিজেকে তুলনামূলকভাবে নিরপেক্ষ রাখবে?... ইরানের সাম্প্রতিক আন্দোলন অন্তত এটুকু স্পষ্ট করেছে : রাষ্ট্র ও ধর্মের সম্পর্ক নিয়ে যে-বিতর্কটি বহুদিন ধরে তাত্ত্বিক পরিসরে ছিল, তা এখন বাস্তব সমাজের ভিতরেই নতুন করে আলোচনায় উঠছে।
-
এখনো কি ‘নিখিলেশ’, তোকে বলা যায়, —‘ঘুমিয়ে পড়ার আগে দুজনে মিলে মাটি চেটে দেখি কত রক্ত কান্না গর্জন, আর কত নিষ্পাপ হাসি ও হাহাকার শুষে ধরণী এখনো সবুজ!’ কেন গান গেয়ে ওঠে কেউ দূরে! কেন এই মাটির গভীর থেকে গমক দিয়ে ওঠে কেউ ... ‘Halt’!
-
লোকসুরের উচ্ছল তরঙ্গ গানটির প্রতি অঙ্গে বহমান। কাজী নজরুল ইসলামের মর্মে গানটি সেইসময় গেঁথে গিয়েছিল বলে কথা চাউর আছে। আমরা জানি, নজরুল সৈনিকের ভূমিকা নিভিয়েছেন কিছুদিন। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে অংশ নিতে হয় তাঁকে। টার্কিশ গানটির সঙ্গে সেই সুবাদে পরিচয় ঘটার সম্ভানা রয়েছে বিলক্ষণ।