এই সময়ে কবিতাও যেন রাষ্ট্রযান্ত্রিক নোটিশের নিচে জন্ম নেয়। সমাজের হৃদস্পন্দনেও যেন কোনও ভৌতিক আবহ বিরাজে। আর মানুষ ভাবে, 'চুপ থাকা' নিরাপদ। কিন্তু, সাহিত্য মানে কি চুপ থাকা? লিট্ল ম্যাগাজিন কি সেভাবে চুপ থাকতে শেখায়? লিট্ল ম্যাগাজিন কি পুরনো রোমান্টিকতা? এই 'লিট্ল' মানে তো ছোটো নয়, এর মানে অব্যবহৃত দিকটাকে…
-
-
ভোট-কবিতা ও অন্যান্য — মোহাম্মদ জায়েদ আলী
নীরবতা ভোট দেয়— আঙুলে নীল কালি, মুখে স্থবির আস্থা। আর আমরা বিশ্বাস করি— পরিবর্তন আসবে, একদিন, যেন ঘড়ির কাঁটা হঠাৎ বিপরীত দিকে ঘুরবে।
-
চেনা গান, অচেনা গীতিকার-৩ — সজল কান্তি সরকার
তাই লোকগীতগুলো রচনাশৈলীল দিক থেকে দুটি অনুশাসনের গাঁথুনিতে বেশি প্রকাশ পায় : ১. মুখ্যাদ্যিয়া; ২. মহলা। পর্বের উপাচার, সময়কাল, আশপাশ ও অনুষঙ্গ বিবেচনায় আসরে তাৎক্ষণিক নারীদের মুখে-মুখে রচিত গীতকেই মুখ্যাদ্যিয়া গীত বলে। এ ধরনের গীত রচনায় একে অন্যের মুখ থেকে কেড়ে নিয়ে পদ তৈরি করে গীতকে সমৃদ্ধ করতে পারে। গীতে…
-
আমাদের মনের দরজায় নিরন্তর যে ডোরবেল বাজে — তৈমুর খান
যে-অনিশ্চয়তা, যে-অন্ধকারচ্ছন্নতা, যে-সংশয় কবিকে ডোরবেল বাজাকে উপেক্ষা করতে বলেছে তা একটা অবরুদ্ধ সময়েরই বিমূঢ় প্রবাহ। আর এই অবরুদ্ধ সময়টি ‘করোনাকাল’। যে সময় লকডাউনে গৃহবন্দী জীবনে মৃত্যুর অপেক্ষাই করছিলেন সমস্ত মানুষ। কিংবা হয়তো জীবনের অপেক্ষাও। তাই নতুন সকালের এবং জীবন উদযাপনের আকাঙ্ক্ষা জেগে উঠেছিল।
-
‘নিকট থাকো বৃক্ষ’ — সুমন বনিক
হোসনে আরা কামালীর কবিতা কখনও যেন শূন্যে আলো ফেলার মতো—নিঃশব্দ অথচ দীপ্তিমান। তিনি নির্মাণ করেন এক গভীর সংবেদনশীল প্রতীকময় কবিতাভুবন।... নিকট থাকো বৃক্ষ এক আত্মগভীর যাত্রাপথের পথিকসঙ্গী। জীবনের পরতে-পরতে জমাটবাঁধা স্মৃতি-বিস্মৃতি, আনন্দ-বেদনা, প্রেম-বিরহ কামালীর কবিতায় ফুটে ওঠে শরত-প্রভাতে শাপলাবিলের মতোই। একজন সমাজচিন্তকের ভাবনারাশিও তাঁর কবিতা-অক্ষরে জ্বলজ্বল করে। পাঠক-হৃদয়ে তারা বুনে…