দিবারাতি তবু ঠোকাঠুকি হে মাবুদ, সোনালি ধানখেতে জবাই মানুষ রক্তের ছিটায় লাল মেঘের মিনার! চক্ষু মুদে তুমি কালঘুমে, উঠনের নাম নাই!
-
-
জীবনানন্দ এর থেকে নিষ্ক্রমণ খুঁজেছেন এমন এক প্রাকৃতিকতায়, যেটি নিজে ক্লিয়ার করে দিচ্ছেন,—পৃথিবীতে এর অস্তিত্ব স্বপ্নের মতো পৌরাণিক। তাঁর রচনায় আমরা একসময় দালি ও অঁদ্রে ব্র্যতোঁদের তৈরি পরাবাস্তব ইশতেহারে খুঁজে নিয়েছি। এখন তা অবান্তর লাগে নিজের কাছে। কারণ, জীবনানন্দের মধ্যে পরাবাস্তবতা নয়, বরং সক্রিয় থেকেছে ডিল্যুশন!
-
কুকুর আগলে রাখে ছানা, গন্ধ শুঁকে বের করে আনে পাপ— তোমাদের যত অপরাধ! কুকুর শিশু বোঝে, তোমরা কি শিশু বোঝো হে মানুষ?
-
অতীতে এই আলাপ হয়েছিল বটে,—জীবনানন্দের টেক্সটকে প্রায় অবিকল ব্যবহার করে কবি ধরতে চাইছেন সেই সুর, যেটি এই সময়ে ঘনীভূত অন্ধকারের ওপর আলো ফেলবে। আমাদের মনের মাটিতে এভাবে জীবনানন্দের উসিলায় প্রতিভাত হবে ঘনিয়ে আসা অমাবস্যার দিনলিপি;—যেটি এখন চলছে, এবং এর অবসান কবে ঘটবে তা আপাতত সকলের অজানা।
-
ভারত ও পাকিস্তানে রাগ সংগীত আশ্রিত অঞ্চলে সুফিপদে বাঁধাই গানের প্রভাব গভীর। আমাদের এখানে তার আবেদন শেষাবধি আগন্তুকের। চর্চা কম হয়নি এ-পর্যন্ত, কিন্তু প্রভাব শিকড় ছড়াতে যেয়েও গভীর হতে পারেনি। এর একটি কারণ হয়তো এখানে নিহিত-যে, সুফি কাওয়াল ঘরানার গানে হিন্দুস্তানি রাগ সংগীতের সহজাত অধিকার বাংলায় এসে খেইতাল হারিয়েছে।