এভাবে ব্ৰহ্মাণ্ড-বিজ্ঞানকে কবিতায় আনলেন মাত্র কয়েকটি শব্দে। মানুষের চলাচলের তুলনায়। আমাদের জন্ম স্থিতি লয় মাত্র কয়েক বছরের। মহাবিশ্বের উপকরণের জন্ম স্থিতি লয় লক্ষ কোটি বছরের। সময়ের ব্যবধান থাকলেও জন্ম পরে যাত্রা যেন এক। সেই অকল্পনীয় চিন্তাচেতনায় কলম চালিয়েছেন জীবনানন্দ। সময়ের থেকে বহু বহু এগিয়ে থাকা নির্জনতম বলে আখ্যায়িত এক কবি।
-
-
কবি যদি সমাজের চালচিত্র পরিবেশক হন, তাহলে পথ দেখিয়ে দেওয়াটাও তাঁর আরেকটা কাজ। কোন পথে মানুষের পরিত্রাণ ঘটবে! কোন দিকে মানুষ যাবে! সময়ের জাঁতাকলে বেঁচে থাকার উপায় কী? এসব জিজ্ঞাসা নিশ্চয় কবিকে ভাবিত করে। সেই তাড়নায় কবিতা নির্দেশের চেহারা নিতেই পারে। প্রায় সব কবিই নির্দেশ দিয়ে থাকেন, কেউ প্রত্যক্ষ কেউ ইশারায়।