একধরনের কালচারাল ডোমিনেন্স এভাবে তৈরি হয় বুদ্ধ মূর্তিকে ঘিরে। তাঁর অবয়বকে আফ্রিকান রীতি মেনে তৈরি করা মানহানিকর বলে বিবেচনার যুগ শুরু হয়। এই বুদ্ধ এখন মঙ্গোলিয়াড মুখাবয়ব ধারণ করে হয়ে উঠলেন গোলাকার ও হৃষ্টপুষ্ট। গান্ধার রীতি মেনে বুদ্ধ মূর্তি গড়ার ধারাকে এভাবে নতুন ন্যারেটিভের নিচে খতম করে দেওয়া হলো কার্যত।…
-
-
নদীর মৃত্যু, জীবনের ক্ষত : ফজলুররহমান বাবুল
'নদী, তুমি কোন কথা কও?'—এই প্রশ্নের উত্তর নিশ্চয় নদী দেয়। প্রশ্ন হলো, আমরা কি আবার কখনও জীবনানন্দের মতো থেমে দাঁড়িয়ে শুনব? নাকি শেষপর্যন্ত সেই সভ্যতার অংশ হয়েই থাকব, যারা নদীর ভাষা না-বুঝে তাকে 'নীরব' ঘোষণা করেছিল?
-
কুুকুর চরিত মানস
ধারণ করতে অবশ্য ভুলে যাই তার এমতো স্বভাব,—কুকুরের বিশ্বস্ততাও কুক্-এর সমগ্রোত্রীয়। নিজ খাবারের ভাগ সে যেমন অন্যকে দিতে পছন্দ করে না, তেমনি বিশ্বস্ততা বস্তুটিকে এমনভাবে ধারণ করে চলে, যেটি কারো প্ররোচনায় ছিন্ন হওয়ার নয়। তার মমতা ও হিংস্রতার মতোই তা একমেবাদ্বিতীয়ম!
-
আমার ‘চা’-যাপন : আহমদ সায়েম
আব্বার কাছে বয়সের ভারে ক্লান্ত এক লোক ব্যাগভরতি চা-পাতা নিয়ে আসতেন। কে তিনি, কোথায় থাকেন, কেন চা-পাতায় ব্যাগ বোঝাই করে হানা দিতে থাকেন বাসায়... এসব প্রশ্ন মনে জাগেনি কখনো। ব্যবসার কাজে লোকজন আব্বার কাছে আসছেন, যাচ্ছেন। বিশিষ্ট না হলে কার ঠেকা পড়েছে তাকে জানার! ভুলটি তখন করেছি। বুঝিনি, যাকে হেলায়…
-
বাংলার খেত, কৃষি : ফজলুররহমান বাবুল
ভূমির প্রশ্ন—এখনও সভ্যতার যুদ্ধক্ষেত্র। কিন্তু এসবের বাইরেও খেতের একটি অন্যরকম ভূমিকা আছে। মানুষ মৃত্তিকাকে মা বলে—কারণ মৃত্তিকা সন্তানকে ধারণ করে, প্রতিপালন করে, আর শস্যের রূপে ফিরিয়ে দেয় ভালোবাসা—জীবন। মানুষ যখন একটি শস্যভরা খেতের দিকে তাকায়—সে দেখে নিজেরই প্রতিচ্ছবি—মৃত্তিকার সন্তান হয়ে আকাশপানে ওঠার সংগ্রাম।