সেতু ভাই, আপনার আলোচনায় মিশেল ফুকোর অবতারণা যেমন অনিবার্য মানতে হবে, অন্যদিকে এর ফলে ঝুঁকি ও ভুল বোঝার সম্ভাবনা তা তৈরি করে। নাগরী লিপিকে ভিত্তি ধরে সিলেটি ভাষাকে বাংলা থেকে স্বতন্ত্র ভাষারূপ দাবি করাটা তার মধ্যে অন্যতম। আপনি যদিও এর যৌক্তিকতা ও অযৌক্তিকতা দুটোই আলোচনায় ভালোই টেনেছেন।
-
-
প্রথমত, ইন্টেলেকচুয়ালের পরিভাষা হিসেবে বুদ্ধিজীবী শব্দের ব্যবহার আমার কাছে যৌক্তিক মনে হয়নি কখনো। শব্দটির মধ্যে পরগাছাসুলভ ভাব বেশ তীব্র। বুদ্ধি বেঁচে জীবিকা নির্বাহে সম্পৃক্ত থাকায় শুরুতেই সংকীর্ণ একটি ভাব মনে চলে আসে। কলিম খানরা এখানে মনীষী শব্দটির ব্যাখ্যায় যে-অর্থে পৌঁছান, সেটি বরং আমার কাছে অধিক যৌক্তিক মনে হচ্ছে।