গান মূলত শোনার বিষয় হলেও, এখন তা দেখারও বিষয় বটে। আমাদের চোখ ও কান দুটোই এখানে এই সংযোগকে পড়তে ও অর্থ করতে শিখে গেছে। এটিও একধরনের ইম্প্রোভাইজেশন। প্রথমে পারেনি, কারণ ওই পূর্ব-সংস্কার। এটি এখানে বড়ো অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায় প্রায়শই। আমরা কেউ সম্ভবত এর থেকে মুক্ত নই।
পোস্ট শোকেস
A default category for blog post.
-
-
নদীর মৃত্যু, জীবনের ক্ষত : ফজলুররহমান বাবুল
'নদী, তুমি কোন কথা কও?'—এই প্রশ্নের উত্তর নিশ্চয় নদী দেয়। প্রশ্ন হলো, আমরা কি আবার কখনও জীবনানন্দের মতো থেমে দাঁড়িয়ে শুনব? নাকি শেষপর্যন্ত সেই সভ্যতার অংশ হয়েই থাকব, যারা নদীর ভাষা না-বুঝে তাকে 'নীরব' ঘোষণা করেছিল?
-
জীবনানন্দ, তোমাকে ভেবে-৪ : হেলাল চৌধুরী
এখনও তোমার বিষণ্ণ মহৎ/ পড়ে আছে মানুষের শরীরে সূর্যালোকে/ আজও তোমার নীলিমার সীমাহীন ভ্রান্তিবিলাস দেখি/ মানুষেরই পিঠে এখনও তোমার ভয়াবহ পৃথিবী ঘোরে।
-
বই পড়া ও না-পড়ার ফজিলত-২
বইপ্রেমীরা কি আসলেও বই পাঠ করে? আমার মনে হয়, জরিপ করলে ভিমড়ি খাওয়ার মতো তথ্য পাওয়া যাবে। দেখা যাবে,—আকাটের দল বই জমায়, কিন্তু পড়ে না। পড়া ও পড়ার ভান করা পৃথক ঘটনা। তবে এই-যে তারা পড়ে না, তাতে আমি আনন্দিত। সভ্যতা এতো-এতো বেশি বইয়ে বোঝাই হয়ে আছে, মানুষের হয়তো প্রয়োজন…
-
দিওয়ান-ই-মাখফি : বাচিকপাঠে গজল
‘দিওয়ান-ই-মাখফি’-র সিংহভাগ কবিতা অতি অবশ্যই জেব-উন-নিশার রচনা। কারণ, সেগুলোয় পিতা আওরঙ্গজেবের সঙ্গে তাঁর সংঘাত ও কারাবন্দিত্বের আভাস স্পষ্ট। সেইসঙ্গে কিছু কবিতায় ব্যক্তি/ স্থান/ ঐতিহাসিক চরিত্রের রেফারেন্স এমনভাবে এসেছে, পড়তে যেয়ে খটকা জাগে মনে। সেগুলো সম্ভবত ‘দিওয়ান-ই-মাখফি’-তে কোনো একভাবে ঢুকে পড়েছিল। এতো পুরোনো পাণ্ডুলিপি!—পরিষ্কার সিদ্ধান্ত টানা পাহাড়সমান গবেষণা দাবি রাখে।