পথের সারার্থ সময়ের সঙ্গে রং পালটায়। আমরা যেমন নিশ্চিত নই এখন,—বাংলাদেশ নামক ভূখণ্ডের কোথায় দাঁড়িয়ে ঠিকঠাক! আমরা কি তাহলে রবার্ট ফ্রস্টের মতো দুই পথের মিলনস্থলে দাঁড়িয়ে? নাকি, জেমসের লেখা ও রককণ্ঠে ধ্বনিত একমুখী কোনো পথের সামনে আছি দাঁড়ানো? কেবল মনে হচ্ছে,—যে-পথেই দাঁড়িয়ে থাকি-না-কেন, সেই পথটি হতে চলেছে অন্তহীন কষ্ট ও হতাশার! ঈশ্বর জানেন,—অন্তবিহীন কি আছে/ এই পথের শেষে...।
-
-
গল্প-উপন্যাস রচনার ধ্রুপদি শর্ত ও তরিকাকে অনুসরণের দায় কণাআখ্যানের নেই। বিষয়বস্তু, পটভূমি, কাহিনি ও চরিত্র চিত্রণকে সার্থক করতে সৃষ্ট ভাষা-বিবরণের দাস হওয়াটা কণাআখ্যান লিখতে থাকা ব্যক্তির মিশনে পড়ে না। তার উদ্দেশ্য ভিন্ন। কণা সমতুল বাক্যের আড়ালে সত্যিকার গল্প-আখ্যানের সম্ভাবনা জেগে ওঠার রেখা এঁকে দায়িত্ব খতম ভাবছে সে। কাজটি যদি ঠিকঠাক করতে পারে, সেখান থেকে পরে আস্ত গল্প বা আখ্যানের গাছ…