এই জুবিন জীবদ্দশায় ফকিরির ভাও রপ্ত করেছিলেন। দূর ভবিষ্যতে সকল পরিচয় ছাপিয়ে ওই সন্ত-ফকির-দরবেশ রূপে মানুষ তাঁকে স্মরণ করবে ফিরেফিরে। মিথ এভাবেই তৈরি হয়, এমনকি সংকীর্ণতা ও বিভাজনের অন্ধকূপে নিমজ্জিত একুশ শতকেও!
-
-
জাফর ইকবাল তবে একমাত্র গতি এখন?
ড. জাফর ইকবালের মধ্যে যেটি সবসময় ছিল ও আজোবধি রয়েছে, সেটি ওই বহুচর্চিত বাক্যটি মনে করায় : ল্যাঞ্জা ইজ ডিফিকাল্ট টু হাইড। হাসিনা পতনের তুঙ্গ মুহূর্তে যে-কারণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে তিনি অচেনা বলে সাব্যস্ত করেছিলেন। যেহেতু, তাঁর হিসাব অনেক আগে থেকে জানাচ্ছিল,— বিশ্ববিদ্যালয়টি রাজাকারপন্থীতে ভরে গেছে।
-
একমুখী রাস্তা
পথের সারার্থ সময়ের সঙ্গে রং পালটায়। আমরা যেমন নিশ্চিত নই এখন,—বাংলাদেশ নামক ভূখণ্ডের কোথায় দাঁড়িয়ে ঠিকঠাক! আমরা কি তাহলে রবার্ট ফ্রস্টের মতো দুই পথের মিলনস্থলে দাঁড়িয়ে? নাকি, জেমসের লেখা ও রককণ্ঠে ধ্বনিত একমুখী কোনো পথের সামনে আছি দাঁড়ানো? কেবল মনে হচ্ছে,—যে-পথেই দাঁড়িয়ে থাকি-না-কেন, সেই পথটি হতে চলেছে অন্তহীন কষ্ট ও…
-
লুবনার চোখের জলে লেখা লানত
জিহাদ হচ্ছে সকল প্রকার বিকার থেকে আত্মশুদ্ধির লড়াই;—সুফিপন্থী এই ব্যাখ্যা বা তার চর্চা মুসলমান-সমাজে হালে পানি পায়নি কোনোদিন। ইসলামকে নমনীয়, সহিষ্ণু ও পরিশিলীত রূপে বিশ্বে হাজির করার তাগিদ থেকে এ-পর্যন্ত যত ব্যাখ্যা জন্ম নিয়েছে, তার একটিও মুসলমান সমাজে অগ্রাধিকার পায়নি। ডমিনেট হওয়ার তো প্রশ্নই ওঠে না! অ্যাজ অ্যা গুড মুসলিম…
-
দেশ দেখাচ্ছ অন্ধকারে
তাহলে কী লিখবে সে? সে লিখবে গাঢ় অন্ধকারে হায়নার চিৎকার! তার কলম ফেটে বের হবে একটি জনপদ ও জনগণের হাবা হওয়ার আজিব তামাশা! তামাশাটি তাকে কষ্ট দেবে। বেদনায় নীল হবে সে। তার হয়তো মনে হবে, জাগো বাহে কোনঠে সবাই লেখার মতো আওয়াজ চব্বিশে নেই। গাঢ় অমাবস্যা ছাড়া কোনো বাক্য লেখা…