• পোস্ট শোকেস - সাহিত্যবাসর

    লেখা কি মনোরঞ্জন?

    সুনীল-শীর্ষেন্দু-সমরেশরা যদি পরপর পাঁচটা লেখেন, তার চারটা দায় পূরণের খাতিরে তাঁদেরকে লিখতে হয়েছে, একটা-যে এর মধ্য দিয়েও বেরিয়ে আসেনি তা কিন্তু নয়। কমলকুমারের সঙ্গে পার্থক্য,—তিনি এই চাপ বুঝেশুনেই ঘাড়ে নেননি। মর্জিমতো লিখছেন। ছাপানো দরকার মনে হলে ছোটকাগজে ছেড়ে দিয়েছেন। লেখনক্রিয়াকে এভাবে উপভোগ করছেন কমলকুমার। সুনীলরা ওই কাজটা বড়ো পাঠকবৃত্তের খোরাক মিটাতে লাগাতার লেখা সরবরাহ করার মধ্য দিয়া সারছিলেন। প্রেক্ষাপট সুতরাং ভিন্ন। বৃত্ত ভিন্ন। এবং, এ-কারণে পাঠকের ‘মনোরঞ্জনের’ জন্য একটি অক্ষর কমলকুমার মজুমদার লেখেননি টাইপের কথাবার্তা এক্সপাঞ্জ করা উচিত। 

  • পোস্ট শোকেস - বিবিধ ও বিচিত্র

    বেশরিয়ত জামানার গোলাপসুন্দরীগণ

    পাকিস্তান এখনো উর্দু ও পাঞ্জাবি সাহিত্য, তার সুফি কালামসহ বিচিত্র গানের ভাণ্ডারে ধনী, কিন্তু কোথায় জানি মুক্ত হাওয়া নিরুদ্দেশ! মরমি সংস্কৃতির আধার করাচিতে প্রতিদিন কোনো-না-কোনো মাজারে আক্রমণ হয়। শিয়া ও অন্য মতাবলম্বীদের মসজিদসহ খ্রিস্টানচার্চ গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। ইরানের মতোই অবরুদ্ধ খোপে বসে পাকিস্তানি মেয়েরা ছেলেদের সঙ্গে মিশেন। সবই আছে, তবু কী যেন নাই…! কিছু একটা মিসিং বুল্লে শাহর পাকিস্তানে। ইমরান-মিয়াদাদ, ওয়াসিম আকরাম-ওয়াকার ইউনূস আর শোয়েব আখতারে ঠাসা ক্রিকেটত্রাস পাকিস্তানে। গানের কোকিল নূরজাহান, গজল সম্রাট মেহদী হাসান, কাওয়ালের বাদশাহ নুসরাত ফতেহ আলী খান, রোমান্টিক মেলোডি কিং আদনান সামী থেকে আজকের প্রমিজিং আতিফ ইসলামদের পাকিস্তানে কী মিসিং, সেইটা কেবল তার খাতুনরা জানেন!