• আসুন ভাবি - পোস্ট শোকেস

    “অতিরিক্ত অস্তিত্ব”-এ নাবিল সালিহ-র ফিলিস্তিন-২ : মোস্তাফিজুর রহমান জাভেদ

    এই আলোকে গাজাকে ব্যতিক্রমী পরিসর গণ্য করা উচিত;—একটি গহ্বর, যেখানে ইসরায়েল ‘যৌক্তিকতার’ নাম করে যা ইচ্ছা তাই ছুড়তে পারে। কেননা, এটি অন্যান্য অতিভৌগোলিক পরিসরের মতো নয়, এই গহ্বরের তলদেশে রয়েছে অ-সত্তা বা অস্তিত্বহীন জনসমষ্টি, যাদের আর্তনাদ শোনা যায় না, আর তাদেরকে মেরে ফেলাটা স্বাভাবিক করে তোলা হয়েছে।

  • আসুন ভাবি - পোস্ট শোকেস

    জ্ঞান বনাম ক্ষমতা : ফুকো-চমস্কি বিতর্ক

    ফুকো এখানে এসে ফের বাগাড়া দিচ্ছেন। তিনি দেখাচ্ছেন,—সত্যজ্ঞান ততক্ষণ সত্যজ্ঞান হয়ে থাকে, যতক্ষণ ক্ষমতা-কাঠামোয় উৎপাদিত প্রাতিষ্ঠানিকতার বাইরে সে সক্রিয় থাকছে। প্রাতিষ্ঠানিক বলয়ের ভিতরে গমনের আগে পর্যন্ত তাকে আমরা নিষ্কলুষ ও সত্যভাষীর ভূমিকায় মনোরম দেখতে পাই। কোনো একভাবে ওই কাঠামোয় যদি তার প্রবেশ ঘটে যায়,—একই সত্যজ্ঞান তাৎক্ষণিক দূষিত বর্জ্য হয়ে ওঠে।

  • আসুন ভাবি - পোস্ট শোকেস

    ভাষা যখন নৈরাজ্যের অস্ত্র : ফজলুররহমান বাবুল

    এই ভাষাগত কাঠামো নাগরিক প্রতিরোধকেও দুর্বল করে। প্রতিরোধের জন্য তো প্রথম প্রয়োজন সঠিক নামকরণ। আসলে যে-সহিংসতাকে ‘বিক্ষোভ’ বলা হয়, তার বিরুদ্ধে দাঁড়ানো কঠিন; যে-আক্রমণকে ‘ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ’ বলা হয়, তাকে অপরাধ হিশেবে চিহ্নিত করাই যেন অমানবিক মনে হয়। ফলে নাগরিক প্রতিবাদ বিভ্রান্ত হয়। কাকে প্রতিহত করা হবে, কীসের বিরুদ্ধে দাঁড়াবে, সেই প্রশ্নেই বিষয়টি থমকে যায়।

  • আসুন ভাবি - পোস্ট শোকেস

    বৃক্ষনাথ কমল চক্রবর্তী

    বন এক জিনিস আর একটি অরণ্য... পুরোপুরি আলাদা ব্যাপার। সময় যত অতিক্রান্ত হয়েছে, কমল আর কমল থাকেননি। বৃক্ষ থেকে অরণ্যে পরিণত হয়েছিলেন। তাঁর দেহে কান্টের সমুদয় নোমেনারা ছিল ক্রিয়াশীল। তারা তরঙ্গিত সেখানে। মানুষ কমল চোখ বুজেছেন, কিন্তু বৃক্ষনাথ কমল এখনো জীবিত। শুনতে পাই, ভালোপাহাড়ের চূড়ায় অরণ্যকমলে পরিণত আমাদের কবি উপনিষদের শান্তিবাণী জপ করছেন...