তাদেরকে মনে হচ্ছে পরবর্তীতে বিস্মৃতির কোণে, মানবিক মর্যাদা থেকে সুদূর কোনো প্রকোষ্ঠে গাদাগাদি করে রাখা হবে। হামাস এখানে একমাত্র জন্তু নয়। জৌদাহ যেমন লিখেছেন : ফিলিস্তিনিরা সকলে এখানে ‘অতিরিক্ত ও সত্তাহীন অস্তিত্ব‘।
-
-
বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের ভয়াবহ সহিংসতাকে কেবল Banality of evil দিয়ে ব্যাখ্যা করলে সেটা অসম্পূর্ণ থেকে যায়। আইখম্যানের মতো চিন্তাহীন আমলা এখানে অবশ্যই ছিল, যারা কেবল আদেশ পালন করেছে। কিন্তু পাশাপাশি ছিল মতাদর্শী পরিকল্পনাকারী, হিংস্র মব, ভয় সৃষ্টিকারী সন্ত্রাস, এবং সেই সন্ত্রাসের নিচে তৈরি হওয়া নিঃসঙ্গতা।
-
স্মরণ-বিস্মরণের ঘোরপ্যাঁচে দিনগুলা যখন ম্যাড়মেড়ে মনে হইতেছে তখন হাসিনাপতনের ডঙ্কা বাইজা ওঠে। ঢাকা শহর গ্রাফিতিতে সয়লাব হয়। সয়লাব হইতে থাকে দেশ। দেয়ালগুলায় খালি প্রতিরোধের শ্লোগান! সবটাই শোভন না। হাসিনা ও তার দোসরদের তাক করে খিস্তিভরা বাক্যই বেশি চোখে পড়ে। তো এর মধ্যে আমি সুবোধরে খুঁজি। সে কি ফেরত আসছে? নাকি এখনো জন কবিরের গানে তাল দিয়া গা ঢাকার মতলবে ইধার-উধার ঘুরাঘুরি করতেছে? খুঁজি কিন্তু পাই না। হালায় কই যে আছে কে জানে!