দেহকে ঘিরে রাহুল পুরকায়স্থর ফ্যান্টাসিঘন টানাপোড়েন, আর, তাকে ফিরে-ফিরে অনিকেত টের পেয়ে সমাধিফলক লিখে ওঠার চেষ্টায় দেশভাগের যন্ত্রণা মনে হচ্ছে বড়ো অবিচ্ছেদ্য ছিল! তাঁর বাংলাদেশী কবিবন্ধুরা রাহুলের হৃদযন্ত্রে কান পেতে কখনো শুনেছেন কি সেই রক্তক্ষরণ?
-
-
ফানা-৩ : আহমেদ বেলাল
গড়তে গিয়ে কতকিছু ভেঙেছি এই হাতে—জানলেও জানতে পারো আমজনতার লোক অভিমানে পুরো দেশ কারাগার হলো কেন—এই প্রশ্ন তোমার রক্তেই লেখা থাকুক...
-
নদীমাতৃকা গ্রামতন্ত্র — মুহাম্মদ হাবীবুল্লাহ হেলালী-র কবিতা
তারা জানে না আগুনে স্নান করলে ছায়াও পুড়ে যায়; আর সেই ছায়ার ঘ্রাণ পৃথিবীর বাতাসে জমে থাকে জবানহীন পাখির মত
-
যুগলমুদ্রায় দুই কবি
কোন সময়? আমরা বলতে পারি, বলা বোধহয় যায় এখন,—পাতাবাহার রচনার নেপথ্যে সক্রিয় সময় আমরা যাপন করছি অদ্য। একপাল হায়েনা মিলে চেটেপুটে খাচ্ছে দেশ ও মানচিত্র। পাতাবাহার সুতরাং প্রাকৃতিক জীবনচক্রে জন্ম নেওয়া উদ্ভিদ থেকে আরম্ভ করে কবি ও স্বদেশে রূপান্তরিত হয়েছে। আবছা হ্যালুসিনেশন বা স্বপ্নবিভ্রম কি আছে টানা গদ্যতালে লিখিত এ-বয়ানের…
-
অনুকাব্য ও অন্যান্য — সুমন বনিকের কবিতা
বিদ্বেষ ছড়াতে-ছড়াতে শেষতক নদীর বুকে ছুরি চালালে! জানো-না, জল কাটলে দু’ভাগ হয় না