এখনো কি ‘নিখিলেশ’, তোকে বলা যায়, —‘ঘুমিয়ে পড়ার আগে দুজনে মিলে মাটি চেটে দেখি কত রক্ত কান্না গর্জন, আর কত নিষ্পাপ হাসি ও হাহাকার শুষে ধরণী এখনো সবুজ!’ কেন গান গেয়ে ওঠে কেউ দূরে! কেন এই মাটির গভীর থেকে গমক দিয়ে ওঠে কেউ ... ‘Halt’!
-
-
গানালেখ্য : কেয়ার করি না
খোমায় মাঞ্জা মাইরা আমরা হালায় ঘুরি— / বাইরে দেখতে ফিটফাট/ মাগার্ ভিত্রে ঠনঠনা—/ ভিত্রে ঠনঠনা আমরা/ ভিত্রে ঠনঠনা।
-
দিওয়ান-ই-মাখফি : বাচিকপাঠে গজল
‘দিওয়ান-ই-মাখফি’-র সিংহভাগ কবিতা অতি অবশ্যই জেব-উন-নিশার রচনা। কারণ, সেগুলোয় পিতা আওরঙ্গজেবের সঙ্গে তাঁর সংঘাত ও কারাবন্দিত্বের আভাস স্পষ্ট। সেইসঙ্গে কিছু কবিতায় ব্যক্তি/ স্থান/ ঐতিহাসিক চরিত্রের রেফারেন্স এমনভাবে এসেছে, পড়তে যেয়ে খটকা জাগে মনে। সেগুলো সম্ভবত ‘দিওয়ান-ই-মাখফি’-তে কোনো একভাবে ঢুকে পড়েছিল। এতো পুরোনো পাণ্ডুলিপি!—পরিষ্কার সিদ্ধান্ত টানা পাহাড়সমান গবেষণা দাবি রাখে।
-
গানালেখ্য : গায়েবি অনল
যেখানেই থাকুন কবি, কবিতায় আর গানের টানে বোনা এই গানালেখ্যটি আপনার কাছে পৌঁছে যাবেই যাবে। জানবেন, আমরা আপনাকে আজো ভুলিনি। আপনি আছেন মনের তারায় অভিশাপ হয়ে। থাকবেন, যতদিন আমাদের আয়ু রয়েছে ধরায়। যতদিন, আমরা শিকার হইনি বিস্মরণের!
-
গানালেখ্য : মেলাবেন তিনি, মেলাবেন
অমিয় চক্রবর্তীর ‘সংগতি’র একখানা সারমর্ম আমরা পেলাম এখন। শহীদ কাদরী অ্যানকাউন্টার টানলেন,—মেলানোর আশা সহজ প্রাকৃতিক হলেও কোনো অঙ্কই অদ্য আর মিলবে না। নাতিদীর্ঘও নয় কবিতাটি;—যদি অমিয় চক্রবর্তীর পাশাপাশি তাকে রাখি। তার মধ্যেই ধরা পড়েছে মানব-ইতিহাসের লক্ষ বছরের আবর্তন। ধরা পড়েছে তার অবিরত গড়িয়ে পড়ার হাস্যকর পরিহাস।