• পোস্ট শোকেস - বিবিধ ও বিচিত্র

    সহিংসতার পতন ও স্টিভেন পিঙ্কার

    বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে যুক্তি বিরচনে সিদ্ধহস্ত স্টিভেন পিঙ্কার সহিংসতা হ্রাস পাওয়ার নেপথ্যে মানবমস্তিষ্কে যুক্তিনিষ্ঠতার বিকাশ ও অগ্রগতিকে গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে কিতাবে হাজির করছেন। উনার মতে, দাসপ্রথা, নারীকে অবরুদ্ধ রাখা ও বিচিত্র তরিকায় শারীরিক-মানসিক নিগ্রহ, শিশুশ্রম ও নির্যাতন, বাকস্বাধীনতায় আগল তোলা ইত্যাদি ঘটনাকে কেন্দ্র করে সুদূর অতীত থেকে একশো বছর আগেও মানবসমাজ যে-পরিমাণ বীভৎস ছিল... সময়ের সঙ্গে এগুলোকে মোকাবিলার পন্থায় তারা অনেকবেশি বিবেচক ও সমঝোতাপ্রবণ হইতে পারছেন।

  • দেখা-শোনা-পাঠ - পোস্ট শোকেস

    বিধ্বস্ত নীলিমায় সোনালী কাবিন

    কৌম যদি সুনির্দিষ্ট মানুষ ও সম্প্রদায়কে মিন করার পরিবর্তে সামগ্রিকে ধৃত নৃতাত্ত্বিক বাংলাকে গ্লোরিফাই করে, কওম-এ কি ফ্লেভারটা জারি থাকে অবিকল? সে তো ওই কাবিনজালে বাঁধা! কৌম-নারীদেহ বা তার গতরের বাস নিতে আকুল মাহমুদ নারীকে কাবিনবান্ধা সোনালি ভাবছিলেন তখন। মৃত্তিকাও ছিল কাবিনবান্ধা সোনালি। কওম-এ আসার পথে সে বাস্তবিক সোনালি ছাড়া অন্য কিছু না। তো এই জায়গা থেকে বলা যাইতে পারে,- আল মাহমুদের ম্যাগনাম ওপাসের শিরোনাম ও তার ভিত্রে বিচ্ছুরিত দীপ্তি এক জিনিস নয়। তারা একে অন্যের সঙ্গে কন্ট্রাডিক্ট করে। সোনালী কাবিন না দিয়া অন্য নাম উনি বোধহয় দিতে পারতেন।

  • পোস্ট শোকেস - সাম্প্রতিক

    চ্যাটজিপিটি মামার ফ্যাসিস্ট বন্দনা

    নেটলাইনে খুন্তি নাড়ানাড়ির পর আতকা খেয়াল হইল, কাম সারছে, ইংরেজিতে ফ্যাসিস্ট শব্দখানার পয়লা অক্ষর এফ (F) দিয়া শুরু। ইংরেজি ভাষায় খারাপ শব্দ ফাক/ ফাকারও এফ (F) দিয়া শুরুয়াত। তার মানে ফ্যাসিস্ট হইতে গেলে আপনাকে মারাত্মক পর্যায়ের ফাকার হইতে হবে। ফ্যাসিস্ট হইতেছেন এমন একখানা অনুপম চরিত্র যার সবটাই অতিমানবীয়। তার গুণ অতিমানবীয়, দোষগুলাও অতিমানবীয়। এমন একজন ফাকার, যে নিজ-ভাবাদর্শের আদলে একটা সিস্টেম জন্ম দিতে থাকে, এবং একসময় সিস্টেমটা তার হয়ে একটা জাতি, এমনকি বিশ্বজাতিকে ফাক করার শক্তি অর্জন করে বসে। বাপরে! ভাবতেই মাথা ঘোরায়!

  • নেটালাপ - পোস্ট শোকেস

    জামায়াত কেন নিষিদ্ধ করা গেল না

    গণজাগরণ মঞ্চ হইতে ঘোষিত আন্দোলন জাহানারা ইমামকে পুনরায় ফেরত আনতে পারলেও শেখ মুজিবকে ফেরত আনতে পারে নাই। তিন মাসের আন্দোলন মুজিবকে ফ্রেমের বাইরে রেখে করতে হইছে উনাদের! মুজিবকে প্রতিষ্ঠিত ও সর্বজনীন করতে গণজাগরণ মঞ্চ স্বয়ং ব্যর্থ হয়। সেইসঙ্গে জামায়াত নিষিদ্ধ করার সুযোগ মিস করেন হাসিনা। উনি কেন এত বাপের নাম নিতেন, অতিরিক্ত করতেন, এসবের পেছনে কারণ নেই বলা যাবে না। যদিও দেশ চালাইতে গেলে অনেককিছু নতুন করে বিবেচনা করতে হয়। হাসিনার ওই মেজাজ ছিল না।

  • দেখা-শোনা-পাঠ - পোস্ট শোকেস

    গুহাচিত্র ও প্রাগৈতিহাসিক মনোচাপ

    বস ওরফে মাতবরকে পেছন দিয়া দাঁড়ানো নারীর কারবার আরো ইন্টারেস্টিং। অ্যালান রেড্ডি সূক্ষ্ম পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে রায় ঠুকছেন,- নারীটি ঝুঁকিপূর্ণ কাজে লিপ্ত। তার হাতে পাথরের টুকরা। উরুদেশ দিয়া রক্ত ঝরতেছে। কেন ঝরতেছে সেইটা অনুমান করা দুঃসাধ্য। ওইসময় কী ঘটছিল তার কিছুই আমাদের পক্ষে জানা সম্ভব না। আগুন জ্বালাইতে না পারায় মাতবর হয়তো পুরুষটির সঙ্গে নারীকেও ঝাড়ছেন একচোট। মনের ঝাল মিটাইতে পাথরের টুকরা নিজ উরুতে ঘঁষে আগুন জ্বালানোর তালে আছে সে। নারী চিরকালের জেদি হাসিনা! এই ঘটনায় তা পুনরায় প্রমাণিত। মনের খেদ জুড়াইতে নিজেকে জখম করতেসে খামোখা।