কালে অকালে চলে যাওয়া বন্ধুদের নিশ্চিত দীর্ঘশ্বাস, প্রতিবেশীদের জমানো সমস্ত আত্মবিশ্বাস - সবকিছু নিয়ে বসে আছে নরক এক - (অন্তরের অলিন্দে করে সে অনেক আলাপ) কেউ তাকে স্পর্শ করতে পারে না - না কোনো স্বর্গ অথবা প্রশান্তির পরম কোনো প্রলাপ...
-
-
অ্যান্ড্রু টেট হইতে সিলেটি ফাইভপিলারস... এনারা সকলেই পুঁজিবাদী বিকারে মোড়ানো সভ্যতায় নতুন উপজাত। তাদেরকে যারা তৈরি করে তারা হইতেছে আসল খেলোয়াড়। এখন তারা ম্যাট্রিক্স ছবির মরফিউস নাকি এজেন্ট স্মিথ তার কিনারা করা কঠিন। সহজ হলো এইটা ভেবে নেওয়া,- বাস্তবতা হইতেছে বিভ্রম। আমরা সবাই হয় লাল বড়ি নয়তো নীল বড়ি সমানে গিলতেছি। যে-বড়ি গিলি না কেন, একটা-না-একটা ম্যাট্রিক্সে নিজেকে বন্দি রাখতে আমরা বাধ্য। সেখানে ঢোকার পর যা দেখানো হয় বা হইতেছে... আমাদের জন্য সেইটা হলো বাস্তব! বাকিটা পুরাই অলীক।
-
জাতীয় নৃত্যের কথা মনে এলো মধ্য এশিয়ার দেশ জর্জিয়ার সুবাদে। জর্জিয়ানরা নাচের এমন সব ফর্মকে একত্রে জুড়েছেন, যার মধ্য দিয়ে তাদের ইতিহাস, ঐতিহ্য, বীরত্বসহ একটি জনপদের সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতাকে তারা তুলে ধরেন। ব্যালে ও লোকনৃত্যের সংমিশ্রণে সৃষ্ট এসব নৃত্যআঙ্গিক ইন্টারনেটের বদৌলতে আমাদের সামনে অবারিত। ... জর্জিয়ান ন্যাশনাল ডান্স অবিশ্বাস্য স্কিলের পরাকাষ্ঠা, যার জন্য একজন শিল্পীকে বছরের পর বছর কঠিন পরিশ্রমের মধ্য দিয়ে নিজেকে তৈরি করতে হয়। চোখে না দেখলে বিশ্বাস হতো না মানুষের পক্ষে এই লেভেলের অ্যাথেলেটিক স্কিল সম্ভব।
-
সিডাকশন বা প্রলোভন বস্তুটি আসলে কেমন? আমরা কেন প্রলোভিত হই? মানবজীবনে প্রলোভনের ইতিবাচক কোনো ভূমিকা আছে কি? যদি থাকে তাহলে কীভাবে বুঝব কোনটি ভালো আর কোনটি পরিহার করা উচিত? বিচিত্র সব প্রলোভন রপ্ত করার কৌশল কেমন হতে পারে,- যেগুলো কিনা একজন মানুষকে সমাজে গুরুত্বপূর্ণ, আকর্ষণীয় ও সফল করতে ভূমিকা রাখে? ... প্রলোভন মানে খারাপ বা ক্ষতিকর এরকম ধারণা থেকে বেরিয়ে আসা প্রয়োজন। রবার্ট গ্রিন সেই ছকে বইটি লিখেছেন। বাস্তবজীবনে মানুষ তার নিজের ভিতরে প্রলোভনকে যেভাবে সক্রিয় হতে দেখে, তার সঙ্গে ছকটি মিলে যাওয়ার কারণে গ্রিনকে তারা লুফে নিয়েছিল। বইটির তুলকালাম সাফল্যের এটি মনে হচ্ছে বড়ো কারণ।
-
আমাদের এই জীবনটা তখন হবে গাছের জীবন। অর্থ পয়দার ফুরসত গাছের নাই। সে কখনো জানতে চায় না কী কারণে ধরায় তারে আসতে হইতেছে বা কে পাঠাইছে ইত্যাদি। গাছ তার ফুল-ফল-শাখা-প্রশাখা আন্দোলিত করে একটাই উত্তর করে সদা,- ওসব জেনে কি লাভ! আমি আছি। আমারে তোরা পারলে কাজে লাগা। কদিন পরে মাটিতে মিশে যাবো। এই তো জীবন! কেন এখানে আসছি, কে আমারে পাঠাইছে এখানে... কোন দুঃখে এসব নিয়া ভাবতে যাবো আমি! এই-যে মিনিং ছাড়া মিনিংফুল বেঁচে থাকা, পরমাণু যুদ্ধ আমাদেরকে সেই স্বাদ উপহার দিলেও দিতে পারে।