গ্রামীণ জীবনে পহেলা বৈশাখ শুধুমাত্র উৎসবের আনন্দ নিয়ে আসে না, বরং জীবনের প্রাপ্তি /অর্জনের খেরোখাতা খুলে দেয়। মহাজনের সম্পদ নির্মাণে খাজাঞ্চিবাবুর শ্রম-ঘামের মূল্যায়ন আছে কি! এমন ব্যতিক্রম সমীকরণ নিয়ে কবি নির্মলেন্দু গুণের বৈশাখের কবিতা—'খাজাঞ্চিবাবুর নববর্ষ'।
-
-
গানালেখ্য : প্রেমের সন্ত্রাসে
মিনতি করি হে শশীমুখী/ মেঘের মিম্বরে নিয়ো না উড়ান/ বৃষ্টি নামছে দেখো দ্রিমিক দ্রিমিক/ হয়নি সময় … বলার,/ ‘ভালো থেকো, যাই’…
-
কৈবর্তপুরাণ : সজল কান্তি সরকার
আদি পেশা বেহাত দশা মাছেরও আকাল/ মনাইর খুঁজে বীরোজাল্যুয়া ছাড়িল ময়াল/ পন্থে হাটে কণ্ঠে গায় কৈবর্তপুরাণ/ যে-গাঙে ডুবিয়া মনাই করিত সিনান
-
নাইওর : কামাল রাহমান
ধীরে ধীরে নৌকো পৌঁছে যায় গ্রামের কাছাকাছি। এসব ভাবনা ছাপিয়ে নানির মস্তিষ্কে তখন জটিল অঙ্কের খেলা চলেছে। কত টাকা কুলসীর মায়ের হাতে দিয়ে নিজের জন্য কত বাঁচানো যায়? জীবন মানেই তো অর্থের হিসেব মিলানো : যত দরিদ্রই হোক না সে!
-
আর্ট ফর ‘অ্যাকশন’ ও হ্যারল্ড রোজেনবার্গ সমাচার : মোস্তাফিজুর রহমান জাভেদ
রোজেনবার্গ তাই জোর দিয়ে বলেছিলেন : আগের যে-কোনো সময়ের তুলনায় লেখক, শিল্পী ও বুদ্ধিজীবীর দায়িত্ব এখন আরও গভীর ও কঠিন। তাঁর মতে, বুদ্ধিজীবীর কাজ হলো বিশেষজ্ঞ জ্ঞানের দাবি একপাশে সরিয়ে রেখে নিজের চোখে দেখা বাস্তবতার প্রতি ব্যক্তিগত ও স্পষ্ট প্রতিক্রিয়া জানানো।