জীবনানন্দ এর থেকে নিষ্ক্রমণ খুঁজেছেন এমন এক প্রাকৃতিকতায়, যেটি নিজে ক্লিয়ার করে দিচ্ছেন,—পৃথিবীতে এর অস্তিত্ব স্বপ্নের মতো পৌরাণিক। তাঁর রচনায় আমরা একসময় দালি ও অঁদ্রে ব্র্যতোঁদের তৈরি পরাবাস্তব ইশতেহারে খুঁজে নিয়েছি। এখন তা অবান্তর লাগে নিজের কাছে। কারণ, জীবনানন্দের মধ্যে পরাবাস্তবতা নয়, বরং সক্রিয় থেকেছে ডিল্যুশন!
-
-
পারিয়া
কুকুর আগলে রাখে ছানা, গন্ধ শুঁকে বের করে আনে পাপ— তোমাদের যত অপরাধ! কুকুর শিশু বোঝে, তোমরা কি শিশু বোঝো হে মানুষ?
-
গানালেখ্য : তোমাকে বলছি শোনো
অতীতে এই আলাপ হয়েছিল বটে,—জীবনানন্দের টেক্সটকে প্রায় অবিকল ব্যবহার করে কবি ধরতে চাইছেন সেই সুর, যেটি এই সময়ে ঘনীভূত অন্ধকারের ওপর আলো ফেলবে। আমাদের মনের মাটিতে এভাবে জীবনানন্দের উসিলায় প্রতিভাত হবে ঘনিয়ে আসা অমাবস্যার দিনলিপি;—যেটি এখন চলছে, এবং এর অবসান কবে ঘটবে তা আপাতত সকলের অজানা।
-
ফিলাডেলফিয়ার শিব : বদরুজ্জামান আলমগীর
আমার কিন্তু পরিস্থিতিটা ভীষণ ভালো লাগে নিজের অজান্তেই মটরশুঁটিদানার মতো হেসে ফেলি— যৌনতার ব্যাপারটাও খাপেখাপ এমনই— পশ অ্যারিয়া থেকে কেবল নিচের দিকে নামতে থাকে