অনুকরণের এই-যে খেলা, এবং তার থেকে স্বরযন্ত্রের আদিভাগে যেসব ধ্বনিগত ব্যঞ্জনা মানুষ ধরার কসরত করে আসছে যুগের-পর-যুগ,—থ্রোট সিংগিং হচ্ছে এর প্রাথমিক ধাপ বা কাঁচামাল। স্বরযন্ত্রের পরবর্তী ধাপগুলোর মধ্য দিয়ে গমনের সময় যা সুষম আর মসৃণ হয়ে ওঠে। তৈরি হয় সুরেলা আবেশ ও গায়কি ইত্যাদি। সুতরাং একথা বলা যায়,—আন্তঃনাদ হচ্ছে মানবকণ্ঠে গীত সংগীতকলার অকৃত্রিম শিকড়। প্রকৃতিবক্ষ ও মানব-সভ্যতায় বিরচিত আওয়াজকে এর মধ্য দিয়ে কোনোপ্রকার ফিল্টারিং ছাড়া রেজোনেট বা প্রতিধ্বনিত করছে শিল্পী।
-
-
গড়তে গিয়ে কতকিছু ভেঙেছি এই হাতে—জানলেও জানতে পারো আমজনতার লোক অভিমানে পুরো দেশ কারাগার হলো কেন—এই প্রশ্ন তোমার রক্তেই লেখা থাকুক...
-
আল-মুতানাব্বির কবিসত্তায় পরিবর্তনশীল কবিতার গুণ ছিল বলে মানছেন অ্যাডোনিস। যেমন ছিল ইসলাম পূর্ব যুগের কবি আবু তাম্মাম ও আবু নুওয়াসের মধ্যে। তাঁরা কোন সময়ের প্রতিনিধিত্ব করছেন,—অ্যাডোনিসের কাছে তা মুখ্য নয়। কবিতায় সঞ্চারিত গতিশীল আবর্তন হচ্ছে সেখানে একমাত্র বিবেচ্য বিষয়। কোনো যুগ-দশক-কালপর্ব নয়। ত্বহা হুসাইনের মতো অ্যাডোনিসও অকুণ্ঠ চিত্তে রায় দিচ্ছেন,—অন্ধকার যুগের কবিতারা ছিল প্রাণের সহজ প্রকাশ আর অকপট স্বীকারোক্তিতে গাঁথা ব্যক্তিসত্তার উন্মোচন। ইসলাম পরবর্তী কবিতারা ভান ও মেকিত্বে স্থবির জলাশয়।
-
এসএমসি আমাদের চোখে শিল্পপ্রতিষ্ঠান, কিন্তু বাস্তবে এটি হয়ে উঠেছে আধুনিক সভ্যতার হৃদস্পন্দন। যেমন একসময় তেলের ওপর নির্ভরশীল ছিল বিশ্ব, আজ তা সিলিকন চিপ নির্ভর হয়ে দাঁড়িয়েছে। ভবিষ্যতে টিকে থাকতে হলে কেবল প্রযুক্তি নয়, নৈতিকতা, বিকেন্দ্রীকরণ ও আন্তঃনির্ভরতা নিয়ে নতুন করে ভাবতে হবে। তাই টিএসএমসি-র গল্প কেবল একটি কোম্পানির নয়;—গল্পটি সেখানে অদ্ভুত আশা নির্ভর ভবিষ্যতের মালায় গাঁথা।
-
তারা জানে না আগুনে স্নান করলে ছায়াও পুড়ে যায়; আর সেই ছায়ার ঘ্রাণ পৃথিবীর বাতাসে জমে থাকে জবানহীন পাখির মত