• দেখা-শোনা-পাঠ - পোস্ট শোকেস

    গানের সীমারেখা : “কাতিবিম” ও নজরুল

    লোকসুরের উচ্ছল তরঙ্গ গানটির প্রতি অঙ্গে বহমান। কাজী নজরুল ইসলামের মর্মে গানটি সেইসময় গেঁথে গিয়েছিল বলে কথা চাউর আছে। আমরা জানি, নজরুল সৈনিকের ভূমিকা নিভিয়েছেন কিছুদিন। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে অংশ নিতে হয় তাঁকে। টার্কিশ গানটির সঙ্গে সেই সুবাদে পরিচয় ঘটার সম্ভানা রয়েছে বিলক্ষণ।

  • পোস্ট শোকেস - বিবিধ ও বিচিত্র

    কৃষ্ণ বুদ্ধ : ক্ষমতা-রাজনীতি ও শিল্পের বিলোপ

    একধরনের কালচারাল ডোমিনেন্স এভাবে তৈরি হয় বুদ্ধ মূর্তিকে ঘিরে। তাঁর অবয়বকে আফ্রিকান রীতি মেনে তৈরি করা মানহানিকর বলে বিবেচনার যুগ শুরু হয়। এই বুদ্ধ এখন মঙ্গোলিয়াড মুখাবয়ব ধারণ করে হয়ে উঠলেন গোলাকার ও হৃষ্টপুষ্ট। গান্ধার রীতি মেনে বুদ্ধ মূর্তি গড়ার ধারাকে এভাবে নতুন ন্যারেটিভের নিচে খতম করে দেওয়া হলো কার্যত। যেটিকে পরে আর কোনোভাবে পাদপ্রদীপে আসতে দেওয়া হয়নি।

  • পোস্ট শোকেস - সাহিত্যবাসর

    কবিতা অন্ধপাখি ও কবির আত্মস্বীকৃতি : ফজলুুররহমান বাবুল

    কবিতা মূলত বোঝার ভাষা নয়, অনুভব করানোর শিল্প। বোঝানোর জন্য যুক্তিকে সাজাতে হয়, একটা অর্থকে নির্দিষ্ট করতে হয়, কোনও সিদ্ধান্তের দিকে এগিয়ে দিতে হয়। কিন্তু কবিতা এই পথে হাঁটতে নারাজ। মঞ্জুর কবিতাও আমাদেরেকে বোঝাতে নয়, অনুভব করাতে চায়। তিনি উত্তর দেন না, সিদ্ধান্ত দেন না। প্রশ্ন খোলা রাখেন পাঠকের জন্য। মঞ্জুর কবিতা এভাবে বলে না—কবি ‘প্রীত’ নন বলে মানুষ; বরং বলতে চায়—মানুষ বলে কবি ‘প্রীত’ নন। মানুষ হওয়াই যেন ভালোবাসা থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার শর্ত।

  • আসুন ভাবি - পোস্ট শোকেস

    সময়ের সুগন্ধ : মোস্তাফিজুর রহমান জাভেদ

    আধুনিক যুগে কাজ ধীরে ধীরে জীবনের কেন্দ্র দখল করে নিয়েছে। ধর্মীয় শৃঙ্খলা, পুঁজিবাদের উত্থান ও শিল্পযুগের যান্ত্রিক সময় মিলিয়ে মানুষকে এমন এক কর্মজীবনে ঠেলে দিয়েছে, যেখানে অবসর আর স্বাধীনতায় রঙিন নয়; এক বরং অপরাধ বলে ভাবে মানুষ। সময় যেন সঞ্চয়ের বস্তু! শ্রম কেবল মুক্তির প্রতিশ্রুতি! আর জীবন অবিরাম কাজ করে চলার প্রবাহ! এই প্রবাহ মানুষকে ধ্যান থেকে দূরে সরিয়ে দেয়। বস্তু টিকে থাকে না। অভিজ্ঞতা স্থির হয় না। সময়ের গভীরতা কাজেই তৈরি হয় না। অবসর এখন আর সত্যিকারের অবসর নয়; এটি শুধু কাজের মাঝে সাময়িক বিশ্রাম, যেন পুনরায় কাজে ফেরত যাওয়া যায়।