আধুনিক যুগে কাজ ধীরে ধীরে জীবনের কেন্দ্র দখল করে নিয়েছে। ধর্মীয় শৃঙ্খলা, পুঁজিবাদের উত্থান ও শিল্পযুগের যান্ত্রিক সময় মিলিয়ে মানুষকে এমন এক কর্মজীবনে ঠেলে দিয়েছে, যেখানে অবসর আর স্বাধীনতায় রঙিন নয়; এক বরং অপরাধ বলে ভাবে মানুষ। সময় যেন সঞ্চয়ের বস্তু! শ্রম কেবল মুক্তির প্রতিশ্রুতি! আর জীবন অবিরাম কাজ করে…
আসুন ভাবি
A section dedicated to free thinkers about issues deeply relevant with the philosophical thinking process.
-
-
“অতিরিক্ত অস্তিত্ব”-এ নাবিল সালিহ-র ফিলিস্তিন-২ : মোস্তাফিজুর রহমান জাভেদ
এই আলোকে গাজাকে ব্যতিক্রমী পরিসর গণ্য করা উচিত;—একটি গহ্বর, যেখানে ইসরায়েল ‘যৌক্তিকতার’ নাম করে যা ইচ্ছা তাই ছুড়তে পারে। কেননা, এটি অন্যান্য অতিভৌগোলিক পরিসরের মতো নয়, এই গহ্বরের তলদেশে রয়েছে অ-সত্তা বা অস্তিত্বহীন জনসমষ্টি, যাদের আর্তনাদ শোনা যায় না, আর তাদেরকে মেরে ফেলাটা স্বাভাবিক করে তোলা হয়েছে।
-
জ্ঞান বনাম ক্ষমতা : ফুকো-চমস্কি বিতর্ক
ফুকো এখানে এসে ফের বাগাড়া দিচ্ছেন। তিনি দেখাচ্ছেন,—সত্যজ্ঞান ততক্ষণ সত্যজ্ঞান হয়ে থাকে, যতক্ষণ ক্ষমতা-কাঠামোয় উৎপাদিত প্রাতিষ্ঠানিকতার বাইরে সে সক্রিয় থাকছে। প্রাতিষ্ঠানিক বলয়ের ভিতরে গমনের আগে পর্যন্ত তাকে আমরা নিষ্কলুষ ও সত্যভাষীর ভূমিকায় মনোরম দেখতে পাই। কোনো একভাবে ওই কাঠামোয় যদি তার প্রবেশ ঘটে যায়,—একই সত্যজ্ঞান তাৎক্ষণিক দূষিত বর্জ্য হয়ে ওঠে।
-
“অতিরিক্ত অস্তিত্ব”-এ নাবিল সালিহ-র ফিলিস্তিন-১ : মোস্তাফিজুর রহমান জাভেদ
তাদেরকে মনে হচ্ছে পরবর্তীতে বিস্মৃতির কোণে, মানবিক মর্যাদা থেকে সুদূর কোনো প্রকোষ্ঠে গাদাগাদি করে রাখা হবে। হামাস এখানে একমাত্র জন্তু নয়। জৌদাহ যেমন লিখেছেন : ফিলিস্তিনিরা সকলে এখানে ‘অতিরিক্ত ও সত্তাহীন অস্তিত্ব‘।
-
ভাষা যখন নৈরাজ্যের অস্ত্র : ফজলুররহমান বাবুল
এই ভাষাগত কাঠামো নাগরিক প্রতিরোধকেও দুর্বল করে। প্রতিরোধের জন্য তো প্রথম প্রয়োজন সঠিক নামকরণ। আসলে যে-সহিংসতাকে ‘বিক্ষোভ’ বলা হয়, তার বিরুদ্ধে দাঁড়ানো কঠিন; যে-আক্রমণকে ‘ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ’ বলা হয়, তাকে অপরাধ হিশেবে চিহ্নিত করাই যেন অমানবিক মনে হয়। ফলে নাগরিক প্রতিবাদ বিভ্রান্ত হয়। কাকে প্রতিহত করা হবে, কীসের বিরুদ্ধে দাঁড়াবে, সেই…