অমিয় চক্রবর্তীর ‘সংগতি’র একখানা সারমর্ম আমরা পেলাম এখন। শহীদ কাদরী অ্যানকাউন্টার টানলেন,—মেলানোর আশা সহজ প্রাকৃতিক হলেও কোনো অঙ্কই অদ্য আর মিলবে না। নাতিদীর্ঘও নয় কবিতাটি;—যদি অমিয় চক্রবর্তীর পাশাপাশি তাকে রাখি। তার মধ্যেই ধরা পড়েছে মানব-ইতিহাসের লক্ষ বছরের আবর্তন। ধরা পড়েছে তার অবিরত গড়িয়ে পড়ার হাস্যকর পরিহাস।
Latest Posts
-
-
আমার ‘চা’-যাপন : আহমদ সায়েম
আব্বার কাছে বয়সের ভারে ক্লান্ত এক লোক ব্যাগভরতি চা-পাতা নিয়ে আসতেন। কে তিনি, কোথায় থাকেন, কেন চা-পাতায় ব্যাগ বোঝাই করে হানা দিতে থাকেন বাসায়... এসব প্রশ্ন মনে জাগেনি কখনো। ব্যবসার কাজে লোকজন আব্বার কাছে আসছেন, যাচ্ছেন। বিশিষ্ট না হলে কার ঠেকা পড়েছে তাকে জানার! ভুলটি তখন করেছি। বুঝিনি, যাকে হেলায়…
-
জীবনানন্দ, তোমাকে ভেবে-১ : হেলাল চৌধুরী
বই আকারে কবিতাগুলো যদি বের করেন, সেক্ষেত্রে আপনার নিজস্ব একখান ব্যাখ্যা বোধহয় পরিশিষ্টে সংযুক্ত করা অন্তিম হয়ে দাঁড়াবে। অন্যথায় প্রথমপাঠে পাঠক ভাবতে পারে,—আপনি জীবনানন্দ দাশের স্বকীয়তাকে ডিরেক্ট কপি করছেন এখানে। গ্রুপে এর আগে যে-কবিতাগুলো দিয়েছেন, তার সঙ্গে তুলনায় যদি যাই, তাহলে সাম্প্রতিক দুটি কবিতায় জীবনানন্দ অধিক মাত্রায় তীব্র, এবং সে-কারণে…
-
গানালেখ্য : কালঘুম
দিবারাতি তবু ঠোকাঠুকি হে মাবুদ, সোনালি ধানখেতে জবাই মানুষ রক্তের ছিটায় লাল মেঘের মিনার! চক্ষু মুদে তুমি কালঘুমে, উঠনের নাম নাই!
-
নিরীক্ষা ও বিনির্মাণে জীবনানন্দ দাশের অন্ধকার-৩
জীবনানন্দ এর থেকে নিষ্ক্রমণ খুঁজেছেন এমন এক প্রাকৃতিকতায়, যেটি নিজে ক্লিয়ার করে দিচ্ছেন,—পৃথিবীতে এর অস্তিত্ব স্বপ্নের মতো পৌরাণিক। তাঁর রচনায় আমরা একসময় দালি ও অঁদ্রে ব্র্যতোঁদের তৈরি পরাবাস্তব ইশতেহারে খুঁজে নিয়েছি। এখন তা অবান্তর লাগে নিজের কাছে। কারণ, জীবনানন্দের মধ্যে পরাবাস্তবতা নয়, বরং সক্রিয় থেকেছে ডিল্যুশন!